রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলায় এই মুহূর্তে কংগ্রেসের সব থেকে দাপুটে মুখ বহরমপুরের এই সাংসদ। লোকসভা নির্বাচনে দেশজুড়ে কংগ্রেসের ভরাডুবি বাজারেও নিজের গড় ধরে রাখতে সফল তিনি। যার ফলস্বরূপ জাতীয় রাজনীতিতে ক্রমশ তাঁর প্রভাব বাড়ছে। কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা পদে এই বাঙালি রাজনীতিককে বেছে নিয়েছেন সনিয়া গান্ধী।পাশাপাশি সংসদের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির প্রধানের পদেও তাঁর উপরেই ভরসা রাখে গান্ধী পরিবার।
সোমেন মিত্রর প্রয়াণের ফলে যখন নতুন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির খোঁজ শুরু হল তখন যে গুটি কয়েক নাম ঘিরে বঙ্গ রাজনীতির অলিন্দে জল্পনা চলছিল তার মধ্যে প্রথমেই ছিল অধীর চৌধুরীর নাম। এমনকী ক’দিন আগেই কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীকে লেখা চিঠিতে অধীরকেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করার সুপারিশ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। ওই পদে অধীর যোগ্যতম বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করেন তিনি। কংগ্রেসের স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটা বড় অংশেরও ধারনা ছিল, অধীরই ফের প্রদেশ সভাপতি হবেন। বুধবার রাতে এইআইসিসির ঘোষণায় সেই অনুমান অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল।
আরও পড়ুন: বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ বাংলায়, ১০০ শিল্প পার্ক গড়বে রাজ্য!
২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে বামেদের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা করে কংগ্রেসের আসন অনেক বাড়িয়ে নিয়েছিলেন অধীর। বিধাবসভা ভোটের আগে তিনি বঙ্গ কংগ্রেসের মরা গাঙ্গে বান আনতে পারেন কি-না, সেটাই এখন দেখার।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
