সূত্রের খবর, মঙ্গলবার পূর্ব লাদাখের ফিংগার-চার অতিক্রম করে চিনাসেনার একটি দল ভারতীয় ভূখণ্ডের আরও ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করে। ঘড়িতে তখন বিকেল ৫টা। দুটি মোটর বোটে ৪০ চিনাসেনা ফিংগার তিনেকর দিকে এগোতে থাকে। গত মে মাস থেকে ফিংগার-ফোর দখল করে রেখেছে চিন। সেখানে লালফৌজের শিবিরও তৈরি হয়েছে। ফিংগার-তিনে মোতায়েন থাকা ভারতীয় সেনার নজর উপেক্ষা করে এ বার আর এগোতে পারেনি লালফৌজের ৪০ জনের ওই দলটি। ভারত সতর্ক করলে, মোটর বোটের মুখ ঘুরিয়ে ফিংগার চারে ফিরে যায় চিনাসেনা।
আরও পড়ুন: ভারতের বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্রের ছক চিনের, LAC বরাবর লালফৌজের তিন ব্যাটালিয়ন
২৯ ও ৩০ অগস্ট রেচিন লা ও রেজাং লা’র দখল নিতে সমর্থ হয় ভারতীয় সেনা। এই দুই অঞ্চল থেকে চিনের মল্ডো ক্যানটনমেন্টের উপর নজর রাখতে পারবে ভারতীয় সেনা। কৌশলগত গুরুত্বের কথা ভেবে চিনের লালফৌজ চেষ্টা করবে এই শিখর দু’টি পুনর্দখল করার।
আরও পড়ুন:লাদাখ সংঘাত: LAC-তে নয়া নির্মাণ চিনের, প্রত্যাঘাতে প্রস্তুত ভারত
ভারতীয় সেনা বাহিনীও চুপচাপ বসে নেই। চিনাসেনা যেসমস্ত এলাকা দিয়ে বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে, সেখানে ভারতও ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান তৈরি রেখেছে। যে কোনও ধরনের চিনা আগ্রাসনের জবাব দিতে ভারত তৈরি। চিনের তরফে সামান্যতম উস্কানির চেষ্টা হলে, ভারতীয় সেনা ছেড়ে কথা বলবে না। চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে রাজনাথ সিং সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, গলওয়ানের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে, এ বার আর ভারত ছেড়ে কথা বলবে না।
বুধবার থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু করে উত্তেজনার আগুনে ঘি ঢালছে চিন। সরকারি সূত্রে খবর, প্যাংগং লেকের উত্তরে, ফিংগার অঞ্চলে নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু করেছে চিন। এর মধ্যে সংঘাতে প্ররোচনা রয়েছে বলেই মনে করছেন সমর বিশেষজ্ঞরা। ভারতীয় সেনাও অবগত। পিপল’স লিবারেশন আর্মি (PLA)-র কার্যকলাপের দিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে প্রত্যাঘাত করতে পিছপা হবে না ভারতীয় সেনা। পরিস্থিতি যদি সেদিকে এগোয়, ভারতকে প্রত্যাঘাত করতেই হবে, জানাচ্ছে সরকারি ওই সূত্র।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
