চলতি বছরের মে মাস থেকেই লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর একাধিক জায়গায় চিনের পিপল’স লিবারেশন আর্মির সঙ্গে ভারতীয় সেনার সংঘাত বাধে। ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ার অভিযোগ ওঠে লালফৌজের বিরুদ্ধে। প্যাংগং লেক বরাবর ফিংগার ৪ পয়েন্ট পর্যন্ত এগিয়ে আসে চিনাসেনা। ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে চিনাসেনাকে সরতে বললেও লালফৌজ সে কথা শোনেনি। যার জেরে ১৫ জুন রাতে গলওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত বেধে গিয়েছিল। সেই সংঘাতে নিহত হন ভারতের ২০ বীর সেনা জওয়ান। আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দাবিমতো, ভারতের দ্বিগুণ সংখ্যক চিনাসেনা প্রাণ হারান ওই সংঘর্ষে। যদিও বেজিং সরকারি ভাবে নিহত চিনাসেনার সংখ্যা ঘোষণা করেনি।
আরও পড়ুন:প্যাংগং লেক বরাবর ফিংগার-৪ পয়েন্টের উঁচু এলাকাগুলি এখন ভারতের দখলে
ভারত-চিন বিদেশমন্ত্রীর বৈঠক শেষ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দু-দেশের বিদেশমন্ত্রক যৌথ প্রেস বিবৃতি দেয়। ওই বিবৃতিতে মোট পাঁচটি পয়েন্টের উল্লেখ রয়েছে। বলা হয়েছে, খোলামেলা পরিবেশে দুই বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে গঠনগত আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারতের বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্রের ছক চিনের, LAC বরাবর লালফৌজের তিন ব্যাটালিয়ন
লাদাখ সীমান্তে বর্তমানে যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে আখেরে কোনও পক্ষেরই লাভ হবে না। এ বিষয়ে দুই বিদেশমন্ত্রীই একমত হয়েছেন। তাই তাঁরা সম্মত হন, দু-দেশের সীমান্ত সেনা সমস্যার সুরাহায় আলোচনা চালিয়ে যাবেন। মোতায়েন করা সেনা দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হবে। দুই সেনাই যথাযথ দূরত্ব বজায় রাখবে। উত্তেজনা বাড়ে, এমন কিছু করা থেকে তারা বিরত থাকবে।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
