শ্রম মন্ত্রী এও জানান, লকডাউন হওয়ার পর থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে। তারই মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা এবং আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্প। এই দুটি প্রকল্পের অধীনে ইপিএফ-এ জমা দেওয়া হয়েছে ১২ শতাংশ এমপ্লয়ারের শেয়ার এবং ১২ শতাংশ কর্মীর শেয়ার। মোট ২৪ শতাংশ টাকা জমা দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে মার্চ থেকে অগস্ট মাস পর্যন্ত। যে সব সংস্থায় ১০০ বা তার বেশি কর্মী রয়েছেন এবং যাঁদের মাসিক বেতন ১৫ হাজারের কম, তাঁরা প্রত্যেকে এই সুবিধে পেয়েছেন।
এখানেই শেষ নয়। শ্রম মন্ত্রকের তরফে এও জানানো হয়েছে করোনা সংকটের কথা মাথায় রেখে দেওয়া হয়েছে এককালীন কোভিড অ্যাডভান্স।
আরও পড়ুন: প্রভিডেন্ট ফান্ড নিয়মে ফের বদল আনল কেন্দ্র
ইপিএফের সুদের হার কমানো হতে পারে ৮.১ শতাংশে
PF এর টাকা এবার অ্যাকাউন্টে পাবেন মাত্র ৩ দিনেই! জানুন কীভাবে
সোমবার শুরু হওয়া বাদল অধিবেশনের লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জানতে চাওয়া হয় দরিদ্র কর্মীদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী কোনও পরিসংখ্যান পেশ করেননি৷ তাঁর দাবি, ‘সারা বিশ্বের মতো করোনার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারতের অর্থনীতিও৷ এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বহু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, এর মধ্যে অন্যতম হল আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্প৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০ লক্ষ কোটি টাকার বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন, যেখানে আত্মনির্ভর ভারতের মত প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ ও রোজগার সৃষ্টির উপরে জোর দেওয়া হবে৷ এর পাশাপাশি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা, যেখানে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম শ্রেণির হাতে খাদ্য ও অর্থ তুলে দেওয়া হয়েছে৷ ঘরে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর করার জন্য শুরু করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ রোজগার অভিযান৷ ৫০,০০০ কোটি টাকা মূল্যের এই আর্থিক প্রকল্পে ৬টি রাজ্যের ১১৬টি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে৷’
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
