তবে বাজারের ভিতর এ ভাবে আগুন লাগার কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে দমকল। অনেক ব্যবসায়ী এর পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। স্থানীয়রা জানান, মিলন গিরি নামক এক ব্যক্তির দোকানে বাসা বেঁধেছিল ভীমরুল। সেটাই কেরোসিন তেল ঢেলে, আগুন জ্বালিয়ে পোড়াতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। নিমেষের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার নেয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সঠিকভাবে জানা যায়নি। ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
কয়েকদিন আগে বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত নারকেলডাঙার ছাগলপট্টি বস্তি। নারকেলডাঙার ছাগলপট্টি এলাকায় রয়েছে প্রচুর ঝুপড়ি। ফলে গায়ে গায়ে থাকা সেই ঝুপড়িতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুন। সেখানে থাকা একটি বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারও ফেটে যায়। যার জেরে আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ে। দমকলের ৭টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। স্থানীয় মানুষরাও আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রায় ৫০টি ঝুপড়ি পুড়ে গিয়েছে। ঝুপড়িগুলি পুড়ে যাওয়ায় বাসিন্দাদের ক্ষতি হলেও হতাহতের কোনও খবর নেই। ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সেখানে গিয়ে তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন।
অগস্টের শুরুর দিকে বারুইপুরের কাছারি বাজারে কাপড় পট্টিতে বিধ্বংসী আগুন লাগে। রাত দু’টো নাগাদ আগুন লাগে বারুইপুর থানার উলটো দিকের কাছারি বাজারে। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রথমে একটি ইমিটেশনের দোকানে আগুন লাগে, তারপর সেই আগুন আশপাশের কাপড়ের দোকানে ছড়িয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের ইঞ্জিন। আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায় তারা। রাত দু’টো থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত দমকলের ১১টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
