হাইলাইটস
- নাগপুরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রতিদিন ৩০-৩৫ জনের মৃত্যু হচ্ছে। সেখানেও ৫-১০ জনকে মৃত অবস্থাতেই আনা হয়।
- টিবি বা টিউবারকিউলোসিস রয়েছে কিনা জানার জন্য যেমন পরীক্ষা হয়, তেমনই করোনা পরীক্ষাও হবে মৃতদেহের।
- করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এই হারে বেড়ে যাওয়ার ফলেই মৃতদেহেরও করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সোমবার মহারাষ্ট্রে ১০ লক্ষ করোনা রোগীর খোঁজ মিলেছে। পাশাপাশি ২৯ হাজার ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে ভাইরাসের সংক্রমণে। মুম্বই, পুনে এবং থানেতে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে, যথাক্রমে ৮১০৯, ৪৭৫৪ এবং ৪১৩৪ জনের। জেলার নাসিক, জলগাঁও এবং নাগপুরেও হাজারের বেশি প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে। শ্মশান গুলিতে কোনও জায়গা নেই দেহ সৎকারের। সাসুন জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ৪০-৫০ জনের মৃত্যুর খবর মেলে। ১৫ জনকে আনাই হয় মৃত অবস্থায়। নাগপুরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রতিদিন ৩০-৩৫ জনের মৃত্যু হচ্ছে। সেখানেও ৫-১০ জনকে মৃত অবস্থাতেই আনা হয়।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এই হারে বেড়ে যাওয়ার ফলেই মৃতদেহেরও করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এক ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার রিপোর্টও দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য দফতরের মন্তব্য, এর ফলে দেহটিকে দ্রুত সৎকারের ব্যবস্থা করা যাবে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা যাবে। হাসপাতালে করোনা রোগীর মৃত্যু হলে তার ময়নাতদন্তের কোনও প্রয়োজন নেই। কী কারণে মৃত্যু সেটা চিকিৎসকেরাই বলে দেবেন।
এরই সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, যে দেহগুলিকে করোনা সন্দেহ করা হবে সেগুলিকে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করার ব্যবস্থা করতে হবে। হাসপাতালের এমারজেন্সিতে না এনে সেগুলি সোজা শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে এবং পুলিশকে এ বিষয়ে সাহায্য করতে হবে। প্রত্যেক সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকে সরকারের জারি করা এই নয়া নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে। অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি আধিকারিকদের মতে, মৃতদেহ যখন হাসপাতালে আনা হচ্ছে তখন যে ভাবেই হোক সেটির কী কারণে মৃত্যু তা নিশ্চিত করতে হবে।
আরও পড়ুন: প্রায় প্রস্তুত, নভেম্বরেই বাজারে এসে যাবে চিনের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
