
আজ ২ হাজার ৯৯৩ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে
গতকাল পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৭২ জনে। আর আজ মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ লক্ষ ২১ হাজার ৯৬০। আজ ২ হাজার ৯৯৩ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ১৪ জন সুস্থ হয়ে উঠল। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৬ শতাংশ।

আজ ৪৫ হাজার ৫৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়
রাজ্যে গতকাল পর্যন্ত ২৬ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৯৯টি সোয়াবের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আজ ৪৫ হাজার ৫৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সব মিলিয়ে এপর্যন্ত মোট ২৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রতি ১০ লক্ষে ৩০ হাজার ৪৯৮ জনের পরীক্ষা হয়েছে। রাজ্যে বর্তমানে কোরোনায় আক্রান্তের হার ৮.০৯ শতাংশ।

কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পেয়েছে মোট ১ লক্ষ ৭ হাজার ৫৯৫ জন
এই মুহূর্তে রাজ্যে নমুনা পরীক্ষার ল্যাবরেটরির সংখ্যা ৭৭। এই সপ্তাহে নতুন করে ১টি ল্যাবরেটরি যুক্ত হয়েছে। একটি ল্যাবরেটরি এখনও অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে৷ রাজ্যে সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের সংখ্যা ৫৮২। বর্তমানে সেখানে ২ হাজার ৪৬৫ জন রয়েছে। এ পর্যন্ত সরকারি কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ লক্ষ ৭ হাজার ৫৯৫ জন।

হোম কোয়ারেন্টাইনে ৬ লক্ষ ৩৮ হাজার ১২২ জন
এখনও পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইনে মোট ৬ লক্ষ ৩৮ হাজার ১২২ জন রয়েছে। ছাড়া পেয়েছে ৫ লক্ষ ৬২ হাজার ৯২১ জন। রাজ্যে সেফ হোমের সংখ্যা ২০০টি। বর্তমানে ১১ হাজার ৫০৭টি বেড রয়েছে সেফ হোমগুলিতে। এই মুহূর্তে সেফ হোমে রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৬০৫ জন।

কলকাতা ও জেলার পরিসংখ্যান
আক্রান্তের হার কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি-সহ বেশ কিছু জেলায় উদ্বেগজনক। কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ৪৯৬১৩। এদিন ৫৪৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরেই আছে উত্তর ২৪ পরগনা। এখানে আক্রান্ত ৪৪৬৮৫ জন। এদিন আক্রান্ত হয়েছেন ৫০১ জন। তারপরেই আছে হাওড়া, সেখানে আক্রান্ত ১৬২৩০। এদিন আক্রান্ত হয়েছেন ১৮৭ জন। তারপরের স্থানে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এদিন ২১৬ জন বেড়ে হয়েছে ১৪৯৪৭। হুগলিতে ১৬৬ জন বেড়ে আক্রান্ত ১১,০৬৯ জন। এরপর পূর্ব মেদিনীপুর ৯৩৬৯। এদিন বেড়েছে ১৭৩ জন। পশ্চিম মেদিনীপুরে মোট আক্রান্ত ৮৩৭১, এদিন বৃদ্ধি পেয়েছে ২০২। দার্জিলিংয়ে মোট আক্রান্ত ৬৯০৯, মালদহে ৬১১২ এবং পাঁচ হাজারেরও বেশি আক্রান্ত হয়েছে নদিয়া, পশ্চিম বর্ধমান ও জলপাইগুড়িতে।
