বনদফতর থেকে জানানো হয়েছে, হাতিরা সাধারণ পরিযায়ীর মতো সর্বত্র বিচরণ করে। প্রতি বর্ষার মরসুমে কর্ণাটকের বেন্নারঘাটা ফরেস্ট ডিভিশন থেকে তামিলনাড়ুর দিকে চলে আসে হাতির দল।
ওই রেঞ্জার আরও জানিয়েছেন, প্রথম দলটি আসে কর্ণাটক থেকে। তারা তামিলনাড়ুর জঙ্গলে প্রায় চারমাসের মতো থাকে। এই সময় এখানে রাগি, ভূট্টা, গম, যবের মতো ফসল উত্পাদন হয়। আর এই শস্যদানার লোভেই গ্রামাঞ্চলে ঢুকে পড়ে তারা। প্রায় প্রতিদিনই গ্রামে ঢুকে ফসল নষ্ট করার প্রবণতা থাকে। এই সময়টা তাদের মধ্যে চড়ুইভাতি শুরু হয়।
বনদফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, থাল্লি ও জওয়ালগিরি জঙ্গল এলাকার সমস্ত গ্রামবাসীদের আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলা হাতিরা গ্রামে প্রবেশ করতে পারে। আমরা আগেই সাবধানতা অবলম্বন করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। এই সময়ে রাতের বেলায় খেতে না যাওয়াই ভালো। খেতের ফসল নষ্ট তো হবেই, উপরন্তু মানুষ ও হাতির মধ্যে লড়াই বেঁধে হতাহতের খবরও সামনে আতে পারে। তাই নিরাপত্তার কারণে গ্রামগুলিতে আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বনদফতর থেকে ওই এলাকার গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্য জানানো হয়েছে যে, দিনের আলো ফুটলে তবেই যেন ঘরের বাইরে বের হোন বাসিন্দারা। সূর্য ডোবার আগে ও সূর্য ওঠার পর যেন মাঠেঘাটে যাতায়াত করা হয়। এরই মধ্যে জঙ্গলের সীমান্তে বা জঙ্গলের ভিতর যেন মাঠে গবাদি পশু চরাতে না যান গ্রামবাসীরা। সেইসবও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাগাররঞ্জন।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন–
