
তৃতীয় গ্রেডের গভর্নর! কটাক্ষ কল্যাণের
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনি রাজ্য পুলিশের সমালোচনা করছেন। কিন্তু আপনার টুইট বার্তা দেখে মনে হয় যে, আপনি একজন তৃতীয় গ্রেডের গভর্নর। আপনার কাছে সাংবিধানিক জ্ঞান নেই। তাই পাগলের মতো কথা বলছেন। অবিলম্বে আপনার চিকিৎসার জন্য মানসিক হাসপাতালে যাওয়া উচিত।

রাজ্যপালের টুইট খোঁচার পর
তিনি আরও বলেন, রাজ্যপাল অভিযোগ করেছেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে। রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তিনি টুইট খোঁচা দিয়েছেন। কিন্তু রাজ্যপাল কি জানেন আসলে আইনশৃঙ্খলাভঙ্গ করছেন তাঁরাই, যাঁদের আপনি প্রোটেক্ট করছেন। তিনি এই মর্মে রাজ্যপালের গ্রেফতার প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন।

রাজ্যপালের টুইট নিশানায় রাজ্য প্রশাসন
রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যের টক্কর সর্বদাই লেগে রয়েছে। এদিন রাজ্যপাল টুইট নিশানায় সংবিধান মেনে প্রশাসন পরিচালনার ডাক দেন। সেখানে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের একাংশ সরীসৃপে পরিণত হয়েছে। সরকার বহির্ভুত শক্তি গ্রাস করেছে প্রশাসনকে, যা অসাংবিধানিক এবং অপরাধমূলকও।

শাসকদলের হার্মাদদের নিশানা রাজ্যপালের
টুইটে রাজ্যপালের অভিযোগ, শাসকদলের হার্মাদদের দিয়ে বিরোধীদের ওপর জুলুমবাজি পুলিশের বড় কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা মানবাধিকারের সব থেকে বড় বিপদঘন্টা। তাঁর আরও অভিযোগ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার সময়েও এক শ্রেণির ওপরে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, আর অপর শ্রেণিকে রক্ষা করা হয়।

রাজ্যপালই বিজেপির বড় হার্মাদ
রাজ্যপালের এই বার্তার পর তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিশানা করেন তাঁকে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ওঁর একমাত্র কাজ রাজ্যের সমালোচনা করা। শাসকদলের হার্মাদদের জবাবে কল্যাণ বলেন, রাজ্যপালই বিজেপির বড় হার্মাদ। সম্ভব নয়, সম্ভব হলে তাঁকেই গ্রেফতার করা উচিত। কারণ তিনি রাজভবনে বসে ক্রিমিনাল কনস্পিরেসির একটা পার্ট হয়ে গিয়েছেন।

রাজ্যপালের মাথাটা পুরো খারাপ হয়ে গিয়েছে
কল্যাণ বলেন, মুর্শিদাবাদে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটা এনআইএ-র পার্ট। সেখানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার কোনও প্রশ্ন নেই। রাজ্যপালের মাথাটা পুরো খারাপ হয়ে গিয়েছে। পাগল হয়ে গিয়েছেন রাজ্যপাল। তাঁর ট্রিটমেন্ট করানো উচিত। রাজ্য নয়, তিনি যাঁদের প্রোটেক্ট করছেন, তাঁরাই আসলে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করছেন।