লাদাখের পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি মস্কোয় গিয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন জয়শংকর। লাদাখ সুরাহায় পাঁচ দফা ঐকমত্যেও পৌঁছন দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী। তার পরেও কিন্তু পরিস্থিতির এতটুকু বদল হয়নি। দু’টি দেশ একটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে নতুন করে কেউ আর লাদাখে সেনা বাড়াবে না। তবে, যে সেনারা এখন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় অবস্থান করছে, তাদের সরিয়ে নিতে চিন রাজি হয়নি।
গত জুনের মাঝামাঝি গলওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর লাদাখে যুদ্ধপরিস্থিতি তৈরি হলে, ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছিল। বেজিং কথা দিয়েছিল, দু-দেশই সংঘাতের অঞ্চলগুলি থেকে সেনা সরিয়ে নেবে। কিন্তু, কথা রাখেনি চিন। চিনের যে কথায় আর কাজে মিল নেই, তা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আগেই মন্তব্য করেছেন। বাহিনীকেও তিনি সর্বক্ষণ সতর্ক থাকতে বলেছেন। ভারতীয় বায়ুসেনার একাধিক বিমান রাতের অন্ধকারেও আকাশপথে গর্জন তুলে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। তার পরেও ভারতের বিদেশমন্ত্রী আলোচনাতেই ভরসা রাখছেন। সাক্ষাত্কারে জয়শংকর বলেন,চিন ও ভারতের মধ্যে যে টানাপোড়েন চলছে, তা দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে মেটাবে।
আরও পড়ুন: অবশেষে খুলছে ডুয়ার্সের বন্ধ দু’টি চা-বাগান, স্বস্তি ফিরল শ্রমিক বস্তিতে
তবে ভারতের জওয়ানদের ওপর দেশ ভরসা করে। সব ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে তৈরি ভারত। লাদাখ পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে দাবি করে জয়শংকর এদিন জানান, ভারত নিজের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে সর্বদা তত্পর।
আরও পড়ুন: রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তার পাশে দাঁড়িয়ে রাজ্যপালকে ফের কড়া চিঠি মমতার
তিনি বলেন, সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে একাধিক বৈঠক হয়েছে। প্রয়োজনে আবার বৈঠক চলবে। তার আগেই কেউ কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না, আর্জি বিদেশমন্ত্রীর। তিনি আশ্বস্ত করেন, জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সব ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
