-সপ্তাহান্তে কোভিড-১৯ থেকে সুস্থতার হারে ভারত আবার রেকর্ড গড়ল। কোভিডে জাতীয় সুস্থতার হার শনিবার (২২ অগস্ট) প্রায় ৭৫ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে। শনিবার গোটা দেশে ৬৩,৬৩১ জন কোভিড রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সেদিক থেকেও এদিন নজির তৈরি হয়েছে।
-বিজ্ঞানী-গবেষকদের একটি অংশের বক্তব্য, সংক্রমণ পুরো নিয়ন্ত্রিত না হলেও তার গতি বাড়ছে না কমছে, তা দেখা জরুরি। কারণ, সেটাই সংক্রমণের অভিমুখ নির্দেশ করে। এ ক্ষেত্রে তাঁরা সংক্রমণের ‘ডাবলিং টাইম/রেট’-এর (প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা যত দিনে দ্বিগুণ হচ্ছে) দিকে লক্ষ রাখছেন। কারণ, এই রেট যে কোনও সংক্রমণের ক্ষেত্রে তার গতি বুঝতে সাহায্য করে। সেই অনুযায়ী সংক্রমণ প্রতিরোধে পদক্ষেপ করা যায়।
-করোনায় আক্রান্ত হলেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন ও তাঁর স্ত্রী রুপি সোরেন। তাঁদের দু’জনের রিপোর্টই পজিটিভ এসেছে। কয়েক দিন আগেই শিবুর বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী ও কর্মী-সহ ১৭ জনের কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ে। তার পরই কোভিড টেস্ট করান শিবু ও তাঁর স্ত্রী। এ দিন রিপোর্ট এলে তাতে পজিটিভ ধরা পড়েছে বলে শিবুর ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর।
-সপ্তাহ খানেক ধরে দেশে দৈনিক নতুন সংক্রমণের সংখ্যা ৫৫-৬০ হাজারে আবদ্ধ থাকা আশা জাগাচ্ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার থেকেই তা বেড়ে প্রায় ৭০ হাজারের কাছাকাছিতে পৌঁছে গিয়েছে। আজও সেই বৃদ্ধি এখনও অবধি সর্বোচ্চ। সঙ্গে দেশে করোনার জেরে মৃত্যুও সাড়ে ৫৫ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবুও এর মধ্যেই স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থ হওয়ার পরিসংখ্যান। দেশ জুড়ে পরীক্ষা বৃদ্ধিও যথেষ্ট ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। সঙ্গে সংক্রমণ হার কমে যাওয়া কোভিড পরিস্থিতিতে আশার আলো দেখাচ্ছে।
-আক্রান্তের সংখ্যা যেমন রোজ বাড়ছে, তেমনই প্রচুর মানুষ সুস্থ হয়ে উঠছেন। দেশে কোভিড রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার পরিসংখ্যান শুরু থেকেই আশাব্যাঞ্জক। এখনও পর্যন্ত মোট ২২ লক্ষ ২২ হাজার ৫৭৭ জন করোনার কবল থেকে মুক্ত হয়েছেন। অর্থাৎ দেশে মোট আক্রান্তের প্রায় ৭৪.৬৯ শতাংশই সুস্থ হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬৩ হাজার ৬৩১ জন।
