West Bengal Weather: অতি বর্ষণের সতর্কতা উত্তরে, প্রস্তুত প্রশাসন – The Met Department Has Forecast Heavy To Very Heavy Rains At Jalpaiguri, Cooch Behar, Alipurduar Districts.

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে এমনিতেই অন্যান্য বছরের তুলনায় এই সময় পর্যন্ত স্বাভাবিক গড়ের চেয়ে ১৬ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। তার উপর বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত টানা বর্ষণে অনেক এলাকা জলমগ্ন হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ওদলাবাড়িতে একজনের মৃত্যু ও সেবক করোনেশন ব্রিজের কাছে তিস্তার জলে এক শ্রমিকের ভেসে যাওয়ার খবর মিলেছে।

শুধুমাত্র আলিপুরদুয়ার শহরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২৯০ মিলিমিটার। যা চলতি বছরের রেকর্ড। ব্যাপক বৃষ্টির জেরে শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কালজানি নদী ফুলে-ফেঁপে উঠতে শুরু করেছে। ফলে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে পুরসভার বিভিন্ন এলাকা। জলবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় এক হাজারের বেশি মানুষ। নবান্ন থেকে আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনাকে আগামী ২৮ জুন পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সতর্ক বার্তা পাঠানো হয়েছে। আবহাওয়ার যা গতিবিধি তাতে, যে কোন সময় জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা জেলা প্রশাসনের। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বুধবার টাস্ক ফোর্সের সদস্যদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন জেলাশাসক। তিনি বলেন, ‘যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছি।’

রাতভর টানা বৃষ্টিতে ভাসল কোচবিহার। শহরের অধিকাংশ রাস্তায় হাঁটু জল। গত ২৪ ঘণ্টায় টানা বৃষ্টির জেরে জেলার দিনহাটা, মাথাভাঙা, মেখলিগঞ্জ ও তুফানগঞ্জের অনের জায়গায় জল জমেছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন একাধিক এলাকায়৷ বৃহস্পতিবার রাতে কোচবিহার পুলিশ লাইনের কাছে একটি বিশাল গাছ বৈদ্যুতিক তারের উপর উপড়ে পড়লে এলাকা বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ভারী বৃষ্টির কারণে গাছ কেটে রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক করাও সম্ভব হয়নি। ফলে পুলিশ লাইন থেকে জেলা সংশোধনাগারে যাওয়ার রাস্তায় সব যানবাহন ঘুরিয়ে অন্য দিক দিয়ে পাঠানো হয়। কোতোয়ালি থানার সামনে এক হাঁটু জল হওয়ায় সমস্যায় পড়েন পুলিশকর্মীরা। বলরামপুরে কালজানি নদীর বাঁধে ধস নামায় বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে। তুফানগঞ্জে টানা বৃষ্টির কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা৷ বুধবার রাতের অবিরাম বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে জলপাইগুড়ি জেলার বেশ কিছু এলাকা।

প্রবল বৃষ্টির জেরে রম্ভিখোলার জলে প্লাবিত হয়েছে ওদলাবাড়ির কাছে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক। ওদলাবাড়ি বাজার থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে লেইতি নদী। সেই নদীর প্রবল স্রোতে উল্টে যায় একটি জেসিবি বা পে-লোডার। মারা যান জেসিবি চালক দুর্গেশ ওঁরাও ( ২৩)। তাঁর বাড়ি মাল ব্লকের ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাবুজোতে। বৃহস্পতিবার সকালে রম্ভিখোলার জল উপচে এসে পড়ে ঘিস সেতুর কাছে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে। দীর্ঘক্ষণ ব্যাহত হয় যান চলাচল। পরে বৃষ্টি কমার সঙ্গে জলও নামতে থাকে। সেবক করোনেশন সেতু সংস্কারের কাজে নিয়োজিত এক শ্রমিক বুধবার বিকেলে তিস্তার জলের তোড়ে ভেসে যান। এদিন ডুবুরি নামিয়েও ওই ব্যক্তির হদিশ মেলেনি। প্রবল বৃষ্টির জন্য এদিন সিকিমেও কয়েক জায়গায় ধস নেমেছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

India will not import anything from china | चीन को एक और जोरदार झटका! दिवाली पर भी चीन में तैयार कोई भी माल नहीं होगा आयात

Fri Jun 26 , 2020
नई दिल्ली: चीनी वस्तुओं के बहिष्कार के अपने राष्ट्रीय अभियान ‘भारतीय सामान -हमारा अभिमान’ के अंतर्गत एक कदम आगे बढ़ाते हुए कन्फेडरेशन ऑफ ऑल इंडिया ट्रेडर्स (कैट ) ने आज देश के व्यापारियों और लोगों को इस साल की दिवाली को बड़े पैमाने पर ‘हिन्दुस्तानी दिवाली’ के रूप में मनाने […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts