শ্যাম কিশোর সিং গান্ধী জানিয়েছেন, ‘যে সব জায়গায় পড়ুয়া সংখ্যা বেশি সেখানে লাউড স্পিকার লাগানো হয়েছে। পাঁচ জন শিক্ষক এবং ২ জন প্যারা শিক্ষক ক্লাস ঘর থেকেই মাইকে পড়াশোনা করান। সারা দেশের কয়েক হাজার স্কুল ও কলেজ করোনা সংক্রমণ ছড়ানো শুরু করায় অনলাইন ক্লাসের দ্বারস্থ হয়েছে। আমাদের স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ২৪৬ জন পড়ুয়া রয়েছে। তাদের মধ্যে ২০৪ জনের কাছে কোনও মোবাইল ফোন নেই। প্রতিদিন নিয়ম করে সকাল ১০টায় শুরু হয় ক্লাস। কোনও পড়ুয়ার কোনও বিষয়ে অসুবিধে হলে যে কারও মোবাইল ফোন থেকে আমাকে মেসেজ করে দিলেই হয়। পরের দিন আমরা সেই বিষয়ে আলোচনা করি।’
শ্যাম কিশোর জানিয়েছেন, এই পন্থা ভালোই সাড়া পেয়েছে এবং পড়ুয়াদেরও পড়াশোনা বুঝতে কোনও অসুবিধে হচ্ছে না। ওরা নতুন পড়ানোর স্টাইলের সঙ্গে ভালোই মানিয়ে নিয়েছে।
প্রধান শিক্ষক শ্যাম কিশোর সিং গান্ধীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দুমকা জেলা শিক্ষা আধিকারিক পুনম কুমারী। তাঁর মতে ২৩১৭টি সরকারি স্কুলেও এই মডেলই অনুসরণ করা উচিত। যখন লকডাউন উঠবে এবং স্কুল শুরু হবে তখন সিলেবাস শেষ করতে আরও কোনও সমস্যা হবে না। তিনি আরও জানান, দ্রুত পড়াশোনার এই নয়া উপায় নিজে চোখে দেখতে স্কুল এবং গ্রামে যাবেন।
