classes conducted on loudspeakers: লকডাউনে স্মার্টফোনের অভাব মিটিয়ে লাউডস্পিকারেই স্কুল চলছে ঝাড়খণ্ডের এই গ্রামে! – corona lockdown: jharkhand headmaster uses loudspeakers to teach students who don’t have smartphones

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একজন প্রকৃত শিক্ষকের হাত ধরেই বদলে যেতে পারে গোটা দুনিয়া। কারণ তাঁরই শাসন, আদর, যত্নে ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে আগামী প্রজন্ম। ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেলার এক স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যাম কিশোর সিং গান্ধী তেমনই এক প্রকৃত শিক্ষক।

লকডাউনে বন্ধ স্কুলের পঠনপাঠন। তারবদলে দেশের সিংহভাগ স্কুলেই চলছে অনলাইন ক্লাস। আবার এ দেশেরই এমন বহু প্রান্ত আছে, যেখানে হাতে হাতে স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের কথা ভাবাই যায় না। জীবন স্মার্টফোন নির্ভর না হলেও, এতটুকু কমেনি পড়াশোনার প্রতি পড়ুয়াদের আগ্রহ। আর এই সব উত্‍সাহী পড়ুয়াদের মুখের দিকে তাকিয়েই পড়ানোর এক নয়া পন্থা আবিষ্কার করেছেন প্রধান শিক্ষক শ্যাম কিশোর সিং গান্ধী (Shyam Kishore Singh Gandhi)। তাই প্রায় ২০০ জন পড়ুয়ার জন্যে বানকাঠি গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় লাগানো হয়েছে একাধিক লাউডস্পিকার। এই এলাকাতেই বাস আপগ্রেডেড মিডল স্কুলের পড়ুয়ারা। গত ১৬ এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ ঘন্টা করে এভাবেই বিভিন্ন বিষয়ের ক্লাস নেন প্রধান শিক্ষক। দেওয়াল কিংবা গাছে লাগানো লাউডস্পিকারে ঘিরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই বই খাতা নিয়ে পড়তে বসে পড়ুয়ারা।

শ্যাম কিশোর সিং গান্ধী জানিয়েছেন, ‘যে সব জায়গায় পড়ুয়া সংখ্যা বেশি সেখানে লাউড স্পিকার লাগানো হয়েছে। পাঁচ জন শিক্ষক এবং ২ জন প্যারা শিক্ষক ক্লাস ঘর থেকেই মাইকে পড়াশোনা করান। সারা দেশের কয়েক হাজার স্কুল ও কলেজ করোনা সংক্রমণ ছড়ানো শুরু করায় অনলাইন ক্লাসের দ্বারস্থ হয়েছে। আমাদের স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ২৪৬ জন পড়ুয়া রয়েছে। তাদের মধ্যে ২০৪ জনের কাছে কোনও মোবাইল ফোন নেই। প্রতিদিন নিয়ম করে সকাল ১০টায় শুরু হয় ক্লাস। কোনও পড়ুয়ার কোনও বিষয়ে অসুবিধে হলে যে কারও মোবাইল ফোন থেকে আমাকে মেসেজ করে দিলেই হয়। পরের দিন আমরা সেই বিষয়ে আলোচনা করি।’

শ্যাম কিশোর জানিয়েছেন, এই পন্থা ভালোই সাড়া পেয়েছে এবং পড়ুয়াদেরও পড়াশোনা বুঝতে কোনও অসুবিধে হচ্ছে না। ওরা নতুন পড়ানোর স্টাইলের সঙ্গে ভালোই মানিয়ে নিয়েছে।

প্রধান শিক্ষক শ্যাম কিশোর সিং গান্ধীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দুমকা জেলা শিক্ষা আধিকারিক পুনম কুমারী। তাঁর মতে ২৩১৭টি সরকারি স্কুলেও এই মডেলই অনুসরণ করা উচিত। যখন লকডাউন উঠবে এবং স্কুল শুরু হবে তখন সিলেবাস শেষ করতে আরও কোনও সমস্যা হবে না। তিনি আরও জানান, দ্রুত পড়াশোনার এই নয়া উপায় নিজে চোখে দেখতে স্কুল এবং গ্রামে যাবেন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Concerns expressed over proposal to decriminalise cheque bounce cases

Sat Jun 27 , 2020
A section of the business community and experts have expressed concern over the Union Finance Ministry’s proposal to decriminalise cheque bounce cases under Section 138 of the Negotiable Instruments Act, 1881, and make it a civil offence. “The Ministry has sought comments, and we have opposed the move. We want […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts