করোনা রোগীর চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ট্রায়াল ফের বন্ধ করল হু। মৃতের হারে সদর্থক কোনও প্রভাব না পড়ার জেরেই এই সিদ্ধান্ত।
করোনা প্রতিষেধক তৈরিতে তাড়া দিয়ে প্রথমে বিতর্কিত চিঠি, তার পর তার সাফাই দিতে মাঠে নামল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)। কেন্দ্রীয় এই সংস্থার দাবি, লাল ফিতের ফাঁস কাটিয়ে প্রতিষেধক তৈরির প্রক্রিয়া দ্রুত করতেই নির্মাতা সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠিয়ে তাড়া দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই তাড়া দেওয়ার সময়সীমা হিসেবে কেন ১৫ অগস্ট অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবসকেই বাছা হল, তার কোনও ব্যাখ্যা বিবৃতিতে নেই। ফলে, স্বাধীনতা দিবসে ভ্যাকসিন এনে প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চাইছেন বলে যে অভিযোগ উঠছে, তার কোনও জবাব আইসিএমআরের বিবৃতিতে মেলেনি।
করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় উদ্যোগের প্রশংসা করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথনও। তবে তাঁর সংযোজন, তথ্য নিয়ে ভাবনাচিন্তার জন্য আরও নিখুঁত হওয়া প্রয়োজন। বিশিষ্ট বিজ্ঞানীর পরামর্শ, এ ব্যাপারে জাতীয় স্তরে নির্দেশিকা জারি করুক কেন্দ্র। তা হলেই বিভিন্ন তথ্যের তুলনামূলক পর্যালোচনা সম্ভব। এতটা গভীরে না গিয়ে যা আপাতভাবে এখন দেখা যাচ্ছে, তাতে উদ্বেগের পারদ ঊর্ধ্বগামী। মহারাষ্ট্র এখনও শীর্ষে।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার-সহ সরকারের আরও পদস্থ কর্তাব্যক্তির সোয়াব-এর নমুনা করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এমন এক বিজেপি নেতার পাশে বসেছিলেন নীতীশ যাঁর পরে করোনা ধরা পড়ে। তবে রাতের দিকে জানা যায়, নীতীশের রিপোর্ট নেগেটিভ।
দেশজুড়ে উপসর্গহীন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় হোম আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তিদের জন্য এ দিনই সংশোধিত নির্দেশিকা প্রকাশ করেন কেন্দ্র। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনের দাবি, এখনও পর্যন্ত ১১ হাজারেরও বেশি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ভেন্টিলেটর তৈরি করে বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়েছেন তাঁরা।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র আপাতত সপরিবার হোম আইসোলেশনে। যে আবাসনে সোমেন থাকেন, সেখানে এক আবাসিকের করোনা ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতা পুরসভা থেকে ওই আবাসন যতদিন না স্যানিটাইজ করা হচ্ছে, ততদিন সোমেন বাড়িতে আইসোলেশনে থাকারই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে উম্পুনে ত্রাণ-দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ৭ জুলাই কলকাতায় বাম ও কংগ্রেসের যৌথ কর্মসূচিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির উপস্থিতিও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।
খাঁ-খাঁ করছে রাজ্য বিজেপি দপ্তর। সাধারণ সম্পাদকদের ঘরে বাতি জ্বালানোরও লোক নেই। সহ-সভাপতিদের ঘরেও একই অবস্থা। পার্টি অফিসের অধিকাংশ ঘরেই তালা। অন্ধকারে দেখা যাচ্ছে না রাজ্য সভাপতির ঘরের বাইরের নেমপ্লেটটি। দিনভর বন্ধ রাজ্য দপ্তরে ঢোকার মূল ফটকটিও।