ওই মামলায় অপরাধী দাবি করে, মেয়েটি নিজের ইচ্ছায় তাঁর সঙ্গে শারীরিক মিলনে সম্মতি দিয়েছে। তাই এই ঘটনাকে ধর্ষণ বলা যায় না। প্রমাণের সপক্ষে বলা হয়, মেয়েটি নিয়মিত অপরাধীর বাড়ি যেত, এবং সেখানেই এই ঘটনা ঘটত। ৫৯ বছরের ওই ব্যক্তির দাবি, সে যখনই বলেছে মেয়েটি এসেছে।
এই সময়ই বিচারপতি পি বি সুরেশ বলেন, ‘ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা বা সমর্পণ করতে বাধ্য করা কখনওই সম্মতি নয়। আর শুধু সম্মতি হলেই হবে না, এই মিলনকে মেয়েটিকে স্বাগত জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে তা হয়নি, ফলে এটি ধর্ষণ। সমাজে নারী নিগ্রহ ও নারীর বিরুদ্ধে বৈষম্যের আরেক রূপ।’
এ ক্ষেত্রে তিনি ১৯৮৬ সালে আমেরিকার একটি মামলার কথাও বলেন, যেখানে স্পষ্টই বলা হয়েছিল, ‘স্বাগত জানানোই পারস্পরিক যৌন ক্রিয়ার ভিত্তি, সম্মতি নয়।’
তবে এখানে আরেকটি প্রশ্নও উঠেছে, মেয়েটি যেহেতু ১৪ বছরের ছিল, তা হলে সম্মতির প্রশ্ন কোথা থেকে আসে। ভারতে সম্মতির বয়সক্রম ১৮ বছর এবং নাবালিকাদের সম্মতির আইনের চোখে কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই।