police encounters in uttar pradesh: উত্তরপ্রদেশে যোগীরাজ, ‘অপারেশন ক্লিন’ করতে ১০ দিনে ২৪ এনকাউন্টার! – police launched 24 encounters in 10 days in uttar pradesh, named ‘operation clean’

হাইলাইটস

  • বিকাশ দুবের হাতে ৮ পুলিশকর্মীর মৃত্যুর ঘটনার পর থেকে গত দশ দিনে ২৪টি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে যোগীরাজ্যে।
  • দুষ্কৃতীদের মারতে এই অপারেশনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ক্লিন’।
  • মারা হয়েছে দশ জনকে। আহত হয়েছেন কম করে ১৫ জন!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বিকাশ দুবে না হয় শেষ। কিন্তু অন্ধকার জগতের ত্রাস? বিকরু গ্রামের সুনসান ছবি দেখলে উত্তরটা আন্দাজ করা কঠিন নয়। চৌবেপুরের ‘বেতাজ বাদশা’-র বাড়ির ভগ্নস্তূপের আশপাশে এখন গা ছমছমে নীরবতা। অস্বস্তির চোরাস্রোত পুরোদস্তুর টের পাওয়া যায়। গ্রামবাসীদের মুখে কোনও কথা নেই। যে যাঁর মতো দরজা বন্ধ করে নিজের বাড়িতে থাকছেন, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া তো দূরস্থান। এনকাউন্টারে বিকাশের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসার পরই ৬০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয় সেখানে। সেই পুলিশকর্মীদেরও মুখে কুলুপ। অনেকেই বলছেন, উত্তরপ্রদেশের গ্রামগঞ্জের বহু জায়গায় আদতে এমনই চেহারা দেখতে পাওয়া যায়। পুলিশ ও গ্যাংস্টারদের দাপটে সাধারণ মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত। এরই মধ্যে উঠে এসেছে যোগীর পুলিশেক বিরুদ্ধে ভয়ংকর তথ্য।

বিকাশ দুবের হাতে ৮ পুলিশকর্মীর মৃত্যুর ঘটনার পর থেকে গত দশ দিনে ২৪টি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে যোগীরাজ্যে। দুষ্কৃতীদের মারতে এই অপারেশনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ক্লিন’। আর গত দশদিনে এই ‘অপারেশন ক্লিন’-এর নামে মারা হয়েছে দশ জনকে। আহত হয়েছেন কম করে ১৫ জন!

উল্লেখ্য, বিকরু গ্রামে ৮ পুলিশকর্মীর হত্যার পর থেকেই চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন যোগী আদিত্যনাথ। পুলিশকে দিয়ে দেন ‘উচিত জবাবের’ মন্ত্র। এরপরই পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে প্রেম বিকাশ পাণ্ডে, অতুল দুবে, অমর দুবে, প্রবীণ, প্রভাব মিশ্র নামে একের পর এক দুষ্কৃতীর। এনকাউন্টারেই মারা যান বিকাশ দুবেও। ওই দিনই এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় পান্না যাদব ওরফে সুমন যাদব নামে এক দুষ্কৃতীর। পান্না যাদবের মাথার দাম ছিল ৫০ হাজার টাকা।

এত কেন এনকাউন্টার? যোগীরাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা প্রশান্ত কুমারের কথায়, ‘দুষ্কৃতী দমনে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি। কাউকে ছাড়া হবে না।’ পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতিটি জেলার দুষ্কৃতীদের জন্যে আলাদা তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। যাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেই ‘অপারেশন ক্লিন’ প্রয়োগ করা হতে পারে বলে খবর।

যদিও যোগীর জমানায় এনকাউন্টারের তথ্য দেখলে হাড়হিম হয়ে যেতে পারে। ক্ষমতায় আসার পর ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত যোগীরাজ্যে ৩ হাজারেরও বেশি এনকাউন্টার হয়েছে। তাতে প্রাণ গিয়েছে ৬৯ দুষ্কৃতীর। আহতের সংখ্যা ৮৩৮। এমনকী সরকারের কৃতিত্ব দাবির ক্ষেত্রেও এই এনকাউন্টারের বিষয়টিও রাখা হয়েছিল এক সময়।

যোগী প্রশাসনের এই ‘এনকাউন্টার রীতি’-এর কারণে একটা সময় ১২ হাজার দুষ্কৃতী জামিন নিতে অস্বীকার করেন। অনেকেই আবার প্রাণভয়ে সরাসরি আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। শুধু পুলিশ নয়, স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অভিযানেও আরও ৯ দুর্বৃত্ত নিহত হয়েছিলেন মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে। রাজনৈতিক পালাবদলের পর যোগী আদিত্যনাথ মুখ্যমন্ত্রী হয়েই পুলিশকে ‘অসীম’ স্বাধীনতা দেন। প্রকাশ্যেই তিনি ঘোষণা করেন, রাজ্যে অপরাধীদের মোকাবিলায় পুলিশকে ‘ফ্রি হ্যান্ড’ দেওয়া হল। সেই ট্র্যাডিশন এখনও চলছে…

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

কোচে সিসিটিভি সাহায্যে রিয়েলটাইমে মনিটরিং; ওয়াটার কুলার, একগুচ্ছ নতুন ব্যবস্থা চালু করছে রেল

Sun Jul 12 , 2020
পশ্চিম রেল তৈরি করেছে একটি ওয়াটার কুলার। এর সাহায্যে কোনও বিদ্যুত ছাড়াই জল ঠান্ডা করা যাবে Source link

You May Like

Breaking News

Recent Posts