হাইলাইটস
- দেশে করোনাভাইরাসে (Coronavirus in India) আক্রান্তের সংখ্যা ৯ লাখ ছাড়িয়ে গেল।
- গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২৮,৪৯৮ জন।
- একদিনে মৃত্যু হয়েছে আরও ৫৫৩ জনের।
মঙ্গলবার সকালে প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্য়া হয়েছে ৯,০৬,৭৫২। এখনও চিকিত্সাধীন রয়েছেন ৩,১১,৫৬৫ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫,৭১,৪৫৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৭,৯৮৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এখনও পর্যন্ত দেশে সুস্থতার হার ৬৩%। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৩,৭২৭।
দেশে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মহারাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৬৪৯৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২,৬০,৯২৪। করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০,৪৮২। দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে তামিলনাড়ু। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ১,৪২,৭৯৮। তামিলনাড়ুতে মৃত্যু হয়েছে ২,০৩২ জনের। করোনায় আক্রান্তের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১,১৩,৭৪০। মৃতের সংখ্যা ৩,৪১১।
ভাঙছে না শৃঙ্খল, উদ্বেগ বাড়িয়ে বাংলায় করোনা আক্রান্ত আরও ১৪৩৫! মৃত ২৪
গত কয়েকদিন ধরে দেশে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে করোনাভাইরাস। গত তিন দিনে এক লক্ষেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তের সংখ্যা ৭ থেকে ৮ লাখ হতে সময় লেগেছিল চার দিন। পরের ধাপে তা আরও একদিন কমে গেল। দৈনিক আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও লাফিয়ে বাড়ছে। কেন্দ্রের দাবি, দেশে এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়নি। অথচ একাধিক বড় রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন রেকর্ড গড়ে চলেছে। কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে হঠাত্ করেই সংক্রমণ সাংঘাতিক বেড়ে যাওয়ায় সাত দিনের কঠোর লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে। রাজ্যের মন্ত্রী সিটি রবিও করোনা পজিটিভ। গোটা কর্নাটকেই কঠোর লকডাউনের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীরা। উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ সর্বত্রই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০০ থেকে ১৯০০-তে পৌঁছে গিয়েছে। তার পরেই রয়েছে গুজরাট ও কেরালার মতো রাজ্য।
চালক কোভিড পজিটিভ, জানালেন সারা! তাঁর ও পরিবারের রিপোর্ট জানেন?
সংক্রমণে লাগাম পরাতে লকডাউনে না ফিরলেও সমাজিক অনুষ্ঠানের উপর বিধিনিষেধ আরও কড়া করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পঞ্জাব সরকার। বিয়ে কিংবা শ্রাদ্ধ কোনও অনুষ্ঠানেই ৩০ জনের বেশি আমন্ত্রিতকে ডাকা যাবে না। সংখ্যাটা আগে ছিল ৫০।
