গত ২৪ ঘণ্টায় কর্নাটকে ৩ হাজারের বেশি করোনা পজিটিভ কেস মিলেছে। একদিনে তিন হাজারের বিশে সংক্রমণ কর্নাটকে এই প্রথম। বুধবার (১৫ জুলাই) ধরা পড়া এই ৩,১৭৬টি কেসের মধ্যে ৬৫ শতাংশই বেঙ্গালুরুতে। অর্থাত্ শুধু বেঙ্গালুরুতেই একদিনে কোভিড আক্রান্ত ১,৯৭৫ জন। নতুন করোনা সংক্রমণ দিল্লির থেকে বেশি ধরা পড়ছে কর্নাটকে।
স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, কর্নাটকে করোনা থেকে সুস্থতার হার ৩৯.৪৫%। সেখানে মৃত্যুহার ১.৯৪%। বর্তমানে সক্রিয় করোনা আক্রান্ত রয়েছেন ২৭ হাজার ৮৫৩ জন। মেডিক্যাল শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার কে সুধাকর জানিয়েছেন, মঙ্গলবার গোটা দিনে ২২ হাজার ২০৪টি নমুনার টেস্ট হয়েছে। যা আগে কখনও হয়নি। রাজ্যের জন্য এটা একটা মাইলস্টোন হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। টেস্টের গতি বাড়ার কারণেই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে মন্ত্রী দাবি করেন।
সুধাকর জানান, মঙ্গলবার ১,০৯৫টি অ্যান্টিজেন টেস্ট হয়েছে। এর মধ্যে ১৪৮টি পজিটিভ এসেছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যের ৫৮ মেডিক্যাল কলেজে রোজ একসঙ্গে ২৫ থেকে ৩০ হাজার করে টেস্ট করা যাবে বলে তিনি জানিয়েছেন। এ ছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল ও ল্যাবগুলিতে রোজ আরও ১০ হাজার করে টেস্টের ব্যবস্থা থাকবে।
কর্নাটক সরকার মনে করছে, কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আগামী দু-মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। করোনার বাড়বৃদ্ধি রোধ করতে বেঙ্গালুরুতে ফের এক সপ্তাহের লকডাউন (lockdown) বলবত্ করতে হয়েছে। ১৪ জুলাই থেকেই এই লকডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে।
কর্নাটকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করলেও মৃত্যুহার সেই তুলনায় অনেকই কম। অর্থাত্ পারফরম্যান্স অন্যান্য অনেক রাজ্যের তুলনায় ভালো।
রাজ্যে ১৮ হাজার ৪৬৬ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এর মধ্যে ৫,৪৫৫ জন বেঙ্গালুরুর। আইসিইউতে আছেন ৫৯৭ জন। তার মধ্যে রাজ্য রাজধানীতেই আইসিইউতে আছেন ৩১৭ জন। অন্যান্য রাজ্যের মতো প্লাজমা থেরাপিও শুরু হয়ে গিয়েছে এই রাজ্যে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্লাজমাদাতাদের উত্সাহিত করতে ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।
