corona in india: সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভারতে আক্রান্ত ৩৫ লক্ষ, মৃত্যু ১.৪ লক্ষের! ভয়াবহ তথ্য রিপোর্টে – indian institute of science study syas, india could have 35 lakh cases by sept

হাইলাইটস

  • কোনওভাবেই লাগাম টানা যাচ্ছে করোনা সংক্রমণে। প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় রেকর্ড গড়াটা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে মারণ ভাইরাস।
  • দেশীয় সংস্থা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের (IISc) সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, সেপ্টেম্বরের ১ তারিখের মধ্যে ভারতে করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন ৩৫ লক্ষ মানুষ!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কোনওভাবেই লাগাম টানা যাচ্ছে করোনা সংক্রমণে। প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় রেকর্ড গড়াটা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে মারণ ভাইরাস। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্তর সংখ্যা ৩২ হাজারেরও গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। কিন্তু কবে মিলবে করোনার হাত থেকে রেহাই? সে বিষয়ে কোনও আশার তথ্য না মিললেও আশঙ্কার তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে। দেশীয় সংস্থা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের (IISc) সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, সেপ্টেম্বরের ১ তারিখের মধ্যে ভারতে করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন ৩৫ লক্ষ মানুষ!

শুধু তাই নয়, করোনার সংক্রমণের সঙ্গে-সঙ্গে মৃত্যুমিছিলও শুরু হবে আগের থেকে গতি বাড়িয়ে। সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, সেপ্টেম্বরের শুরুর মধ্যেই দেশে মৃত্যু হতে পারে ১ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষের। তবে, দেশে যদি করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষেত্রে বাঁধ দেওয়া যায়, তাহলে হয়ত কিছুটা কমানো যেতে পারে সংখ্যা। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের রিপোর্ট মোতাবেক, খুব ভালোভাবে সংক্রমণ রোখার চেষ্টা হলেও দেশে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আক্রান্ত হতে পারেন ২০ লক্ষ মানুষ! কিন্তু সে সময়ও দেশে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা থাকবে প্রায় ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার। খুব কম করে হলেও মৃত্যু হবে দেশের ৮৮ হাজার বাসিন্দার।

শুধু দেশ নয়, আলাদা-আলাদা রাজ্যের ক্ষেত্রেই রিপোর্ট তৈরি করেছে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স। সংস্থাটি জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে করোনার সবচেয়ে বেশি প্রকোপ থাকা মহারাষ্ট্রে আক্রান্ত হতে পারেন ৬ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষ। দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসবে দেশের রাজধানী দিল্লি। সেখানে আক্রান্ত হতে পারেন ২ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ। তৃতীয় স্থানে থাকবে গুজরাত। মোদীর রাজ্যের ১ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষ সংক্রমিত হতে পারেন মারণ ভাইরাসে। তামিলনাড়ুতে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ১ লক্ষ ৬০ হাজার আর কর্নাটকেও যা পরিস্থিতি, তাতে ২ লক্ষ ছুঁয়ে ফেলতে পারে আক্রান্তের সংখ্যা।

এই পরিস্থিিততে কেন্দ্রীয় সরকার ফের তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে লকডাউনের কথা চিন্তাভাবনা করছে। যদিও ইতোমধ্যে বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও কর্নাটকে সামগ্রিক বা আংশিক লকডাউন ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। দেশের সব থেকে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশে এই সপ্তাহের শেষ থেকেই লকডাউন করা হচ্ছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বল্পমেয়াদি লকডাউনের পরিবর্তে অন্তত দু সপ্তাহ লাগাতার কড়া লকডাউন জারি করলে সংক্রমণ রোধে অনেক ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে, এমনটাই মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা৷ এরই পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির প্রশাসনিক শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পরেই গ্রহণ করা হবে লকডাউনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত।

শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে আরও বেশি পরিমাণে করোনা পরীক্ষার নীতি নিয়ে এগোতে চাইছে কেন্দ্র৷ ইতিমধ্যেই দেশের সর্বত্র সরকারি ও বেসরকারি ল্যাবরেটরির মাধ্যমে করোনা স্যাম্পেল পরীক্ষার পরিমাণ আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে৷

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

ভারতের চাপে নরম পাকিস্তান! দ্বিতীয়বার কূটনৈতিক সাহায্য পেলেন কূলভূষণ

Thu Jul 16 , 2020
২০ জুলাইয়ের মধ্যে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানোর সময় শেষ হচ্ছে। তার আগেই ভারতীয় কূটনীতিবিদদের সাহায্য পেলেন কূলভূষণ। Source link

You May Like

Breaking News

Recent Posts