baby dragons: গুপ্ত গুহায় ‘জুরাসিক পার্ক’? ড্রাগনের আবির্ভাব স্লোভেনিয়ায়! – rare cave dwelling baby dragons are going on display in an aquarium at slovenia’s postojna cave

হাইলাইটস

  • সূত্রের খবর, বিরল এই ড্রাগনগুলির বিচরণ ক্ষেত্র মূলত গুহা। এদের বলা হয়, প্রোটিয়াস বা ওল্মস।
  • এই ড্রাগনের চামড়ার রং হালকা গোলাপি। এদের কোনও দৃষ্টিশক্তি নেই। লম্বা শরীরে রয়েছে চারটি পা।
  • ঘন গুহায় জলের মধ্যেই মূলত চড়ে বেড়ায় এই ধরনের ড্রাগনেরা।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এ যেন আর্থার কোনান ডয়েলের গল্প ‘ব্লু জন গহ্বরের বিভীষিকা’ (The Terror of Blue John Gap)। অমাবস্যার রাতে ভেড়ার দলের গায়েব হওয়ার কাহিনি! গল্পে ড্রাগনের জলপানের ‘অবাক’ শব্দ যেন আজও আমাদের হাড়হিম করে দেয়। এমনকী’জুরাসিক পার্ক’ ছবিতেও হিংস্র ড্রাগনের দৌরাত্ম্য দেখেছি আমরা। কিন্তু সে সব যে সিনেমা বা নিছকই গল্প। তবে এবার সত্যিই বিরল প্রজাতির ড্রাগনের প্রদর্শন করা হল স্লোভেনিয়ায়। যদিও এরা প্রত্যেকেই শিশু ড্রাগন। ২০১৬ সালে এই বেবি ড্রাগনগুলির ডিমের সন্ধান মেলে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পোস্তজনা গুহায়। আপাতত পোস্তজনা গুহায় একটি ল্যাবরেটারি তৈরি করে, সেখানেই পর্যবেক্ষণ করা হবে শিশু ড্রাগনগুলির। আর তারপরই পর্যটকদের দেখার জন্য সাজিয়ে রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে ইউরোপের এই জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের তরফে।

সূত্রের খবর, বিরল এই ড্রাগনগুলির বিচরণ ক্ষেত্র মূলত গুহা। এদের বলা হয়, প্রোটিয়াস বা ওল্মস। এই ড্রাগনের চামড়ার রং হালকা গোলাপি। এদের কোনও দৃষ্টিশক্তি নেই। লম্বা শরীরে রয়েছে চারটি পা। ঘন গুহায় জলের মধ্যেই মূলত চড়ে বেড়ায় এই ধরনের ড্রাগনেরা। দক্ষিণ ইউরোপের কার্স্ট অঞ্চলে দেখা যায় এই ধরনের বিরল প্রজাতির ওল্মস।


স্থানীয় মানুষজনের কথা অনুযায়ী, জলের গতি যখন খুব পরিমাণে বেড়ে যায়, ঠিক তখনই গুহা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে এই ড্রাগনগুলি। তবে এরই সঙ্গে আশঙ্কার কথাটিও শোনালেন স্থানীয় মানুষজন। তাঁদের অনুমান, যে ড্রাগনদের আমরা গুহা বসবাস করার কথা এতদিন যাবৎ শুনে এসেছি, এই বাচ্চাগুলি আসলে তাদেরই।

ইউরোপের সর্বাপেক্ষা বৃহৎ গুহা অর্থাৎ পোস্তজনা গুহা ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সবসময়ই খোলা থাকে। সেখানকার কর্মীরা খুব ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন, এই ড্রাগন শিশুগুলির জন্ম ২০১৬ সালে। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ওই গুহার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মার্জাঁ বাতাগেলজ বললেন, “ডিমগুলি যখন প্রথমে আমাদের নজরে আসে, তখনই খুব উত্তেজিত হয়ে যাই। কিন্তু পরবর্তীতে মাথায় হাজারো চিন্তার উদয় হয়। কী ভাবে বাঁচানো যায়, কী ভাবে বাচ্চাগুলোকে খাওয়াব, আর কী ভাবেই বা সংক্রমণ থেকে ওদের রক্ষা করা যাবে?”

আরও পড়ুন: রাতের অন্ধকারে পার্কে কে জিম করছে? ঝাঁসির ভূতের-উৎপাতের রহস্য ফাঁস!

তবে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, কতদিন পর্যন্ত বাঁচতে পারে বিরল প্রজাতির এই প্রাণীগুলি। মার্জাঁ বাতাগেলজের কথায়, “বিজ্ঞান বলছে, এই ধরনের প্রাণীগুলির টিকে থাকার সম্ভাবনা মাত্র ০.৫ শতাংশ। তবে আমরা সেই ২০১৬ সাল থেকে এখনও অবধি ২১টি ড্রাগন বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছি। ” পাশাপাশিই তিনি আরও জানালেন যে, ২০১৬ সালে মোট ৬৪টি ডিমের সন্ধান মিলেছিল গুহার ভিতরে।

ড্রাগনের এই বাচ্চাগুলির ১৪ সেন্টিমিটার বা ৫ ইঞ্চি অবধি লম্বা হয়। তবে পুরোপুরি বড় হয়ে গেলে, এরা ৩০ সেন্টিমিটার বা ১২ ইঞ্চি অবধি লম্বা হতে পারে। এই ধরনের ওল্মস একবার টিকে গেলে কমপক্ষে ৮ বছর অবধি কোনও রকম খাবার ছাড়াই বেঁচে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এদের জীবনকাল ১০০ বছর অবধি হতে পারে বলে আরও জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্ত্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে মোদী, গুরুত্ব ৫ রাজ্যের সংক্রমণে

Sun Jun 14 , 2020
নিজস্ব প্রতিবেদন: দেশের করোনা পরিস্থিতি ভাবাচ্ছে কেন্দ্রকে। আনলক শুরু করেও করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত থামছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজারের বেশি মানুষ। এনিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগে আজ শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন মোদী। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রের কয়েকজন […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts