—তার থেকেও বেশি উদ্বেগের কারণ মৃতের সংখ্যা – ১১২৯! বুধবারও যেখানে সংখ্যাটা ঘোরাফেরা করেছে ৬০০-র আশপাশে, সেখানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় দ্বিগুণ।
—সূত্রের খবর, সংখ্যাটা শুধুমাত্র এক দিনের হিসেব নয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আসলে ৬৮৫ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। তালিকায় থাকা বাকি ৪৪৪টি মৃত্যু তামিলনাড়ুর ‘ব্যাকলগ’। অর্থাৎ, এই মৃত্যুগুলি আগেই হয়েছিল। এ দিন মৃতের তালিকায় তা যোগ করেছে তামিলনাড়ু প্রশাসন। যেমনটা মহারাষ্ট্র আগে একবার করেছিল।
—সুস্থতার হার ২৪ ঘণ্টায় আরও কিছুটা বেড়েছে। বুধবার তা ৬৩.১৩ শতাংশ ছিল। এ দিন সামান্য বেড়ে ৬৩.১৮ শতাংশ হয়েছে। আইসিএমআর জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত দেশে দেড় কোটির বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ দিন মণিপুরের একটি প্রকল্পের ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘যত দিন না প্রতিষেধক আসছে, সবাইকে সাবধানে থাকতেই হবে।’
—দৈনিক আক্রান্তের নিরিখে রেকর্ড বাংলাতেও। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪৩৬ জন। ফলে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৫১,৭৫৭। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। কলকাতায় একদিনে ১৯ জনের মৃত্যুও বেনজির। আবার
—একদিনে হাওড়ায় ৩০০-র বেশি পজিটিভ কেস এর আগে আসেনি কখনও। এখানে স্বস্তির বার্তা রোগমুক্তির সংখ্যায়। একদিনে রোগমুক্ত হয়েছেন ২০০৬ জন- এটিও রেকর্ড। ফলে করোনামুক্তির হার ফের বেড়ে ৬১.১৬% হয়ে গেল রাজ্যে।
—কিছু দিন আগে পর্যন্ত শুধুমাত্র মহারাষ্ট্র থেকে বিপুল দৈনিক সংক্রমণের খবর আসছিল, এখন সেই তালিকায় যোগ হয়েছে তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশের মতো রাজ্যও। মহারাষ্ট্রে এ দিনও ১০ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে পজিটিভ হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২৮০ জনের!
—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ২,৬০০ জনের করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েছে। বিশ্বের যে কোনও দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ। এমনটাই দাবি করা হয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক রিপোর্টে। আমেরিকায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষে পৌঁছতে সময় লেগেছিল ৯৮ দিন। ১০ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষে পৌঁছতে সময় লাগে ৪৩ দিন। আবার ৩০ লক্ষের গণ্ডি পেরোতে সময় লেগেছে মাত্র ২৭ দিন।
