পালানোর সময় পুলিশের এনকাউন্টারে পায়ে গুলি লাগে অভিযুক্তের। কোনও রকমে পালিয়ে যায় নুরনগরে। সেখানে একটি হাসপাতালে ভর্তি হয় সে। তারপরই তাঁকে সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শহরের এসপি অখিলেশ সিং জানিয়েছেন, অভিযুক্ত নিজের পরিচয়, ধর্ম ও পেশা লুকিয়ে ওই মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছিল। বিষয়টি জানাজানি হতেই মহিলা ও তাঁর ১০ বছরের মেয়েকে কুপিয়ে খুন করে। পরে দেহ টুকরো টুকরো করে মেঝেতে পুঁতে সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই দিয়ে দেয়।
‘প্রেমিকে’র বাড়ির মেঝে খুঁড়তেই মিলল মা ও মেয়ের দেহ !
এ প্রসঙ্গে হিন্দু যুববাহিনীর সদস্য জানিয়েছেন, গোটা ঘটনাটি লাভ জিহাদের ঘটনা। পুলিশ যদি অভিযোগকারিনীর অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তদন্ত শুরু করত, তাহলে খুনি অনেক আগেই ধরা পড়ে যেত।
নৃশংস খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপার হয়ে উঠেছে উত্তরপ্রদেশ। বারবার অভিযোগ করলেও কানে তোলেনি পুলিশ। নিহত মহিলার বান্ধবী চঞ্চল অভিযুক্তের উপর আগেই সন্দেহ করেছিলেন। সেই ভিত্তিতেই থানায় এফআইআর করেন। কিন্তু এমন ঘটনাকেও কানে তোলেননি তদন্তকারী অফিসাররা। পরে এসএসপির কাছে আবেদন করলে ঘুম ভাঙে পুলিশকর্মীদের। তাঁর তত্পরতাতেই তদন্তের কাজ এগোয়।