বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য তৈরি করা হয়েছে Bennett Hatchery। এখানে অভিজ্ঞ মেন্টররা পড়ুয়াদের নানা ভাবনাকে বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। জাইদ নাইমের উদ্ভাবনী এই পণ্য তৈরির Bennett Hatchery গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। এছাড়াও জাইদকে সহায়তা করেছেন বেনেট বিশ্ববিদ্য়ালয়ের Centre for Innovation and Entrepreneurship-এর (CIE) সদস্যরা।
এই প্রসঙ্গে বেনেট বিশ্ববিদ্য়ালয়ের CIE-র সিনিয়র ম্যানেজর মণীশ মাথুর বলেন, ‘বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন বহু সৃজনশীল পড়ুয়া আছেন যাঁরা একজন সফল উদ্যোগপতি হিসেবে নিজেদের দেখতে চান। তাঁদের এই উদ্যম ও প্রতিভার বিকাশ এবং তা ব্যবসায়িকভাবে সফল রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে CIE সহায়কের ভূমিকা পালন করে। জাইদ এক ব্যবসায়িক পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। এমনকি ওর নিজের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা আছে। সেই দক্ষতার উপরে ভর করে এই করোনা মহামারীর সময়কেও সুযোগ হিসেবে সে কাজে লাগিয়েছে।
https://www.youtube.com/watch?v=Zv0_Vbuq1sc
করনোর কারণে দেশজুড়ে লকডাউনের মধ্যেওে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা এবং গবেষণার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি জিডিটাল ইনিসিয়েটিভ নিয়েছে বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়। এর আওতায় প্রতি মুহূর্তে পড়ুয়াদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন মেন্টররা। তাঁদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। লকডাউনে বাড়িতে থেকেও এই সুবিধা পেয়েছেন জাইদ। যার ফলে লকডাউনের মধ্যেও C-Safekey উদ্ভাবন এবং লঞ্চ করতে সফল হয়েছেন তিনি।
২০১৬ সালে বেনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পথচলা শুরু। স্ট্যার্ট-আপ সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে তোলা হয়েছে Bennett Hatchery। এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের নানা উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনাকে সফল রূপদানের ক্ষেত্রে সহায়তা করা হচ্ছে।
খবরটি ইংরেজিতে পড়তে CLICK করুন
