আগামী দিনে এই রকম প্রাণঘাতী বজ্রপাত আরও দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আবহবিদরা। মার্চ মাসের শেষের দিক থেকে এখনও পর্যন্ত বিহারে বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ২২৭ জনের। এদের মধ্যে রয়েছেন কৃষক, শ্রমিক এবং গোপালকরা।
আরও পড়ুন: ফের বিহার! বজ্রপাতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, এক সপ্তাহে মৃত ১৪২
বিহারে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের মন্ত্রী লক্ষ্মীশ্বর রাই বলেন, আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী এবং আধিকারিকরা আমায় জানিয়েছেন, আহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এত ঘনঘন বজ্রপাত হচ্ছে।
ন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বজ্রপাত হয়ে থাকে। তবে আধিকারিক জানিয়েছেন যে এই বছরে বর্ষার শুরুতেই যত মানুষ বাজ পড়ে মারা গিয়েছেন, তা গত কয়েক বছরে বজ্রপাতে বিহারে মোট মৃত্যুর সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন: ৬ মাসে ৩ লাখ বজ্রপাত বাংলায়, মৃত ৭১
গত বছর বর্ষায় বিহারে বাজ পড়ে ১৭০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বিহারে অ্যাগ্রোমেটেরোলজিস্ট আবদুস সাত্তার জানিয়েছেন যে বায়ুমণ্ডলে অশান্ত পরিস্থিতির কারণেই বজ্রপাত হয়ে থাকে।
বিহার সরকার বজ্রপাতের সমস্যা মোকাবিলায় একটি মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে এসেছে, যাতে কোথায় কখন বজ্রপাত হতে পারে সে সম্পর্কে পূর্বাভাস পাওয়া যায়। কিন্তু বহু কৃষকের কাছে স্মার্টফোন না-থাকায় তা তারা ব্যবহার করতে পারছেন না। আর মাঠে দীর্ঘ সময় কাজ করার কারণে বজ্রপাতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা কিন্তু কৃষকদেরই।
তবে, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে ওডিশা কিন্তু বজ্রপাতে মৃত্যু কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বেসরকারি কোম্পানির সহযোগিতায় বজ্রপাতের আগাম সতর্কতা জারির ব্যবস্থা করেছে ওডিশা। যে কারণে তারা বজ্রপাতে মৃত্যু ৩১ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।
