Cheating in the name of Coronavirus Test: কলকাতায় করোনা পরীক্ষার নামে প্রতারণা! ভুয়ো রিপোর্টের ফাঁদে পড়ে মৃত প্রৌঢ় – cheating in the name of coronavirus test in kolkata, one died

হাইলাইটস

  • করোনার জমানায় কলকাতায় দিন দিন প্রতারণা বেড়েই চলেছে।
  • কোনও ঝুঁকি না নিয়ে বিমল সিনহাকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
  • প্রৌঢ়ের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে নেতাজিনগর থানার পুলিশ।

পিয়ালি চক্রবর্তী

অনলাইনে ওষুধ নিয়ে প্রতারণা, মাস্ক বিক্রির নামে প্রতারণা, অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার নিয়ে প্রতারণা। করোনার জমানায় কলকাতায় দিন দিন প্রতারণা বেড়েই চলেছে। এবার করোনা পরীক্ষার নামেও খাস কলকাতায় জাঁকিয়ে বসল প্রতারণাচক্র। প্রতারণার শিকার হলেন এক প্রৌঢ় ও তাঁর পরিবার। যার মূল্য নিজের জীবন দিয়ে চোকাতে হল ওই প্রৌঢ়কে।

করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ৩০ জুলাই, বৃহস্পতিবার প্রাণ হারান গড়িয়ার বাসিন্দা বিমল সিনহা। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় ব্যাংক ম্যানেজার বিমল সিনহার। জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই জ্বর, সর্দি ও কাশির সমস্যায় ভুগছিলেন ওই প্রৌঢ়। তিনি ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তাঁর পরামর্শেই করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেন। ডাক্তারের মাধ্যমেই একটি ল্যাবরেটরির খোঁজ পায় ওই পরিবার। ২৫ জুলাই প্রৌঢ়ের বাড়ি গিয়ে তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবের এক কর্মী। ২৬ জুলাই তাঁকে জানানো হয়, করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। সঙ্গে একটি হাতে লেখা রিপোর্ট হোয়াটসঅ্যাপ করে পাঠানো হয় ওই ল্যাবের তরফে। এরপরেই হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন বিমল সিনহা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

রিপোর্ট নেগেটিভ। কিন্তু তখনও জ্বর কমেনি প্রৌঢ়ের। উলটে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। কোনও ঝুঁকি না নিয়ে বিমল সিনহাকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর পরিবারের সদস্যরা। সেখান থেকে তাঁকে ভরতি করা হয় সরকারি কোভিড হাসপাতাল এমআর বাঙুরে। সেখানেই প্রতারণার পর্দা ফাঁস। এমআর বাঙুরের ডাক্তাররা দেখেই বুঝতে পারেন ল্য়াবের রিপোর্টটি ভুয়ো। হাসপাতালে প্রৌঢ়ের ফের করোনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। ৩০ জুলাই হাসপাতালেই প্রাণ হারান বিমল সিনহা।

প্রৌঢ়ের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে নেতাজিনগর থানার পুলিশ। প্রথমেই হোয়াটসঅ্যাপে আসা রিপোর্টটি খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। জানা যায়, আইসিএমআরের ফর্মে হাতে লেখা ভুয়ো রিপোর্ট তৈরি করে প্রৌঢ়কে পাঠানো হয়েছিল। হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরের সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের পাকড়াও করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় এসএসকেএমের ল্যাব টেকনিশিয়ান বিশ্বজিৎ সিকদার ও আরজি করের ল্যাব টেকনিশিয়ান ইন্দ্রজিৎ সিকদারকে। দুই ভাইকে জেরা করে বেহালার এমজি রোডের একটি ফিজিওথেরাপি সেন্টারের মালিক অনিত পায়রাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ei samay

হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো ভুয়ো রিপোর্ট

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করন।

আরও পড়ুন: জীবন নিয়ে খেলা, কলকাতায় রমরমা ব্যবসা নকল স্যানিটাইজারের! বাজেয়াপ্ত ১৪০০ লিটার

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

71 booked in triple talaq cases in UP's Shamli in last one year

Sat Aug 1 , 2020
Muzaffarnagar: Seventy-one people have been booked and 62 arrested in triple talaq cases in Shamli district in the last one year, police said on Friday. Shamli SP Vinit Jaiswal said 19 cases of triple talaq were registered against 71 people and charge sheets were filed in 16 cases against 62 […]

Breaking News

Recent Posts