pm modi’s father’s tea shop: নরেন্দ্র মোদীর বাবার চায়ের দোকান কোথায় ছিল? কোনও তথ্য নেই রেলের কাছেই! – western railways has no record of pm modi’s father’s tea shop, rti shows

হাইলাইটস

  • গর্বের সঙ্গে বলেছেন নিজের বাবার চায়ের দোকানে ছোটবেলায় চা বিক্রি করার কথা।
  • এবার পশ্চিম রেলের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হল, তাঁদের কাছেও এ নিয়ে কোনও তথ্য নেই।
  • আরটিআই-এর মাধ্যমে করা আবেদনে ইতি ফেলল সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশন।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কখনও তিনি নিজেকে নিয়ে বলেছেন ‘আমি ঝোলা নিয়ে ঘুরে বেরোতাম, ঝোলা নিয়েই একদিন কোথাও চলে যাব’। আবার কখনও-সখনও গর্বের সঙ্গে বলেছেন নিজের বাবার চায়ের দোকানে ছোটবেলায় চা বিক্রি করার কথা। কিন্তু সেই চায়ের দোকানটি কোথায় ছিল, তা অবশ্য কখনও স্পষ্ট করেননি তিনি। বিরোধীরাও এ নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু এবার পশ্চিম রেলের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হল, তাঁদের কাছেও এ নিয়ে কোনও তথ্য নেই। ফলে আরটিআই-এর মাধ্যমে করা আবেদনে ইতি ফেলল সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশন।

বিভিন্ন সময়ে বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, গুজরাটের ভাডনগর স্টেশনের বাইরে বাবার চায়ের দোকানে চা বিক্রিও করতেন নরেন্দ্র মোদী। যদিও তার কোনও তথ্য প্রমাণ এ যাবতকাল দেওয়া হয়নি। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই এ নিয়ে রহস্যের জট পাকিয়েছিল। এর পরই আইনজীবী ও সমাজকর্মী পবন পারেখ তথ্য জানার অধিকার আইনে এ বিষয়ে আবেদন করেছিলেন।

পশ্চিম রেলের সেন্ট্রাল পাবলিক ইনফরমেশন অফিসারের কাছে এ নিয়ে আবেদনে পবন পারেখ জানতে চান, ভাডনগর স্টেশনের বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বাবা দামোদরদাস মোদীর চায়ের দোকান সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হোক। শুধু তাই নয়, কোন সালে নরেন্দ্র মোদীর বাবার দোকানটির লাইসেন্স মঞ্জুর হয়েছিল, জানতে চাওয়া হয়েছিল তাও।

কিন্তু দিনের পর দিন কাটলেও সেই আবেদনের কোনও জবাব আসেনি। এরপরই পবন পারেখ সরাসরি আবেদন করেন সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশনে। সেখানেও কোনও সুদত্তর পাননি তিনি। সম্প্রতি ফের আবেদন করেন তিনি। এবার সেই সূত্রেই তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হল, এই ঘটনা অনেকদিন আগের। অহমদাবাদ ডিভিশনের কাছে এই দোকানের বিষয়ে কোনও রেকর্ড নেই।

জানা গেছে, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এবং ট্রেনে প্রধানমন্ত্রীর চা বিক্রি করার বিষয়টি যাচাই করতে ২০১৫ সালে তথ্য জানার আইনে আবেদন করেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী তেহসিন পুনাওয়ালাও। স্টেশন চত্বর ও ট্রেনে চা বিক্রির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কোনও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া হয়েছিল কিনা, সেই সংক্রান্ত তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই বিষয়েও কোন তথ্য নেই বলে জানিয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। অর্থাৎ, ছোটবেলায় কোনও স্টেশনে বা ট্রেনে মোদী চা বিক্রি করেছেন এমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: PM Cares-এর টাকায় কেনা ভেন্টিলেটরে বিপুল ‘দুর্নীতি’! বেআইনি বরাতেরও অভিযোগ

এ প্রসঙ্গে বলে রাখা যাক, ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারপর্বে দেশের সব বাসিন্দার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা জমা দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। তা নিয়ে ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কাছে তথ্য জানার আইনেই আবেদন করেছিলেন এই পবন পারেখ। কিন্তু তার আবেদন খারিজ হয়ে যায়। আবার ২০১৭ সালে সোহরাবউদ্দিন এনকাউন্টার মামলায় অমিত শাহের অব্যাহতি পাওয়া নিয়েও পবনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

বডনগর স্টেশনেই কি ছিল মোদীর বাবার চায়ের দোকান? উত্তরে কী বললো পশ্চিম রেল? | RTI seeking details of Prime Minister Narendra Modi's Father's tea stall

Tue Aug 25 , 2020
নিজস্ব প্রতিবেদন: ২০১৮-র শেষের দিকে। উনিশের ভোটের দামামা তখন বেজে গিয়েছে। ছত্তীসগঢ়ের অম্বীকাপুরে এক জনসভায় বিরোধীদের উদ্দেশে কটাক্ষ ছুড়ে নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, “এখনও তারা কাঁদছে এই ভেবে যে একজন চা-ওয়ালা কীভাবে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন?” এ শুধুই ভোটের মরশুমেই নয়, বিভিন্ন সময়ে সাক্ষাত্কারেও তাঁর বাল্যকালের চা-বিক্রি গল্প বড়াই করে বলেন প্রধানমন্ত্রী। […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts