Blood donation camp: রাখির বন্ধনে জুড়ে থাক রক্তদানও, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্যে অনন্য উদ্যোগ – raksha bandhan 2020: blood donation camp for thalassemia patients in kolkata’s behala area

হাইলাইটস

  • চারপাশে করোনা সংক্রমণের জেরে পশ্চিমবঙ্গের ব্লাডব্যাংকগুলিতে অনেক আগেই রক্তের আকাল দেখা দিয়েছে।
  • এর মধ্যে রক্তের জরুরি প্রয়োজনেও মিলছে না রক্ত। থ্যালাসেমিয়া রোগীদের তো আরও কঠিন অবস্থা।
  • নতুন নিয়মে প্রায় প্রতি রবিবারই রয়েছে লকডাউন। ফলে সেই দিনগুলিতে রক্তদান বন্ধ।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টানা লকডাউন, তারপরও অবশ্য এখনও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরেনি। দেশ তথা রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হুহু করে বাড়ছে। আর এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে কঠিন সময় বোধহয় হয়ে দাঁড়িয়েছে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের। চারপাশে করোনা সংক্রমণের জেরে পশ্চিমবঙ্গের ব্লাডব্যাংকগুলিতে অনেক আগেই রক্তের আকাল দেখা দিয়েছে। আক্ষরিক অর্থেই রক্তশূন্য অবস্থা। এর মধ্যে রক্তের জরুরি প্রয়োজনেও মিলছে না রক্ত। থ্যালাসেমিয়া রোগীদের তো আরও কঠিন অবস্থা। এমন এক অসময়ে তাঁদের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এল বেহালা নতুন সংঘ। রাখি বন্ধনের দিনই কচিকাচা মুখগুলো আশ্বস্ত করে বলা হল, ‘আমরা তো আছি, চিন্তা কিসের?’

নতুন নিয়মে প্রায় প্রতি রবিবারই রয়েছে লকডাউন। ফলে সেই দিনগুলিতে রক্তদান বন্ধ। করোনা কালে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সংকট কয়েক গুণ বেশি। ব্লাড ব্যাংক থেকে শুনতে হচ্ছে ডোনার নিয়ে আসুন। করোনার ভয় আসতে চাইছেন না কোন দাতা। কিন্তু ১২১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দেবজিৎ পান্ডে ও তাঁর দলবল এমন দরকারি সময়েই এগিয়ে এলেন। রক্তের সম্পর্ক না হলেও রক্তই হতে চলেছে সম্পর্কের রাখি বন্ধন। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত কচিকাচাদের কারোও রক্তের গ্রুপ ‘এ নেগেটিভ’, কারোও গ্রুপ ‘বি পজেটিভ’, যখনই ওদের রক্তের দরকার হবে, এগিয়ে আসবেন এই ‘দাদারাই’। শুধু তাই নয়, এদিন রাখি বন্ধনের উপহার হিসেবে কচিকাচাদের হাতে তুলে দেওয়া হল জীবনদায়ী ওষুধ। দেবজিৎ পান্ডে জানিয়েছেন, লকডাউনের সময় এই কচিকাচাদের জন্যে বারবার ডোনারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। শুধু রক্ত নয়, ওষুধপত্র সবকিছু দিয়েই শিশুদের পাশে থাকা হবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁদের ফোন করলেই ঘরের দরজায় হাজির হয়ে যায় ডাক্তার বাবু এবং অ্যাম্বুল্যান্স, সে করোনা রোগী হোক বা থ্যালাসেমিয়ার মত অন্য রোগী। আর এরজন্যে দরকার পড়ে না কোনও অর্থের। তাঁরা জানেন, করোনার ভয়ে এখন ৫০ জনকে বললে ১জন ডোনার এগিয়ে আসেন। ব্লাড ব্যাংকে গেলে ফ্যাকাশে মুখগুলোকে আরও রক্তশূন্য করে দিয়ে বলা হয় ডোনার নিয়ে আসতে। আর সেই সময়টায় দাঁড়িয়ে যেন অসাধ্যসাধন করে চলেছেন দেবজিৎ বাবুরা।

আরও পড়ুন: মৃত্যুর আগে যন্ত্রণাহীন ভাবে নিজেকে শেষ করার উপায় খুঁজছিলেন সুশান্ত: মুম্বই পুলিশ

কিন্তু, করোনা-করোনা করে, রাজ্যের সর্বত্র রক্তদান শিবির প্রায় বন্ধ। করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় কোনও ক্লাব বা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাও ধারাবাহিকভাবে শিবিরের আয়োজন করতে পারেনি। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ-সহ গোটা দেশেই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা। গোটা রাজ্যেই রক্তের যে সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে দেবজিৎ বাবুদের কাজ রীতিমতো লেখা হয়ে থাকবে স্বর্ণাক্ষরে।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা; তিন ভাষা শিক্ষার ফর্মুলা মানব না, সাফ জানিয়ে দিল তামিলনাড়ু

Mon Aug 3 , 2020
কেন্দ্রের নতুন শিক্ষা নীতিতে ব্যাপক চটেছেন ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিন। Source link

You May Like

Breaking News

Recent Posts