হাইলাইটস
- কাশ্মীরে ফের আক্রান্ত বিজেপি নেতা
- গুলিবিদ্ধ বিজেপির সরপঞ্চ
- জঙ্গিরাই হামলা চালিয়েছে, দাবি পুলিশকর্তার
- হামলা দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগমে
- একমাসে এই নিয়ে দ্বিতীয় বিজেপি নেতার উপর জঙ্গি হামলা
কাশ্মীরের ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ বিজয় কুমার জানান, বিজেপির সরপঞ্চের ঘাড়ে গুলি লেগেছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। কাজিগুন্ডের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিজেপির মুখপাত্র আলতাফ ঠাকুর দলীয় সরপঞ্চের উপর হামলার খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সশস্ত্র জঙ্গিরা মঙ্গলবার রাতে আরিফের বাড়িতে চড়াও হয়ে, তাঁকে গুলি করে। ঘটনার পর আরিফকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়।
কাশ্মীরে বিগত এক মাসের মধ্যে বিজেপি নেতাদের উপর এটি দ্বিতীয় হামলার ঘটনা। গত মাসে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি ওয়াসিম বারি, তাঁর বাবা ও এক ভাইকে জঙ্গিরা খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করে। উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরায়, বাড়ির সামনেই জঙ্গি হামলায় (Terrorist Attack) নিহত হন এই তিন জন। ঘটনার দিন রাতে বাড়ির নীচেই নিজেদের পারিবারিক দোকানে তাঁরা বসেছিলেন। সেসময় অতর্কিতে দুই জঙ্গি হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই তিন জন গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁদের মৃত ঘোষণা করা হয়। নিহত ওয়াসিম ছিলেন দাপুটে নেতা। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, হামলা চালাতে দু’জন সশস্ত্র জঙ্গি এসেছিল। দু’জনেই লস্কর (LeT) সদস্য।
এই ঘটনায় কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে ওয়াসিম বারির ১০ দেহরক্ষীকে সাসপেন্ড করা হয়। বিজেপি নেতার গোটা পরিবারের নিরাপত্তায় ওই ১০ নিরাপত্তা অফিসারকে নিয়োগ করা হয়েছিল। অথচ, ঘটনার সময় তাঁরা কেউই ওয়াসিমের সঙ্গে ছিলেন না। সেই সুযোগই নিয়েছিল জঙ্গিরা।
মঙ্গলবার বুদগম জেলার পুলওয়ামা সীমান্তের কাছে বানপোরা অঞ্চলে পুলিশের উপরেও বড় হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। দুই পুলিশকর্মী ঘায়েল হয়েছেন।
এর আগে গত জুন মাসে অনন্তনাগ জেলার লোকভবনে কংগ্রেসের সরপঞ্চ অজয় কুমার পণ্ডিতাকে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা।
চলতি বছরের প্রথম ছ-মাসে এখনও পর্যন্ত কাশ্মীরে ১২২ জঙ্গিকে খতম করেছে কাশ্মীর পুলিশ। এর মধ্যে শুধু জুন মাসে ৪৮ জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে। নিহত জঙ্গিদের মধ্যে রয়েছে স্থানীয় হিজবুল মুজাহিদিনের শীর্ষ জঙ্গি রিয়াজ নাইকু।
