bsf jawan killed 2 colleagues: মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলাম, ২ সহকর্মীকে মেরে বললেন BSF জওয়ান! – there was emotional pressure on bsf jawan, says uttar sutradhar after killing 2 colleagues

হাইলাইটস

  • তাঁর স্পষ্টতই দাবি, ‘মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে গুলি চালিয়েছি।’
  • বিএসএফের ১৪৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নে কর্মরত উত্তমের বাড়ি ত্রিপুরায়।
  • ঘটনার পরপরই আত্মসমর্পন করেন উত্তম।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ঘটনার কথা শুনে চমকে গিয়েছিলেন অনেকেই। উত্তর দিনাজপুরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দুই সহকর্মীকে গুলি চালিয়ে হত্যা করার পর তিনিই যেন হয়ে উঠেছিলেন ‘ভিলেন’। অথচ তিনি বললেন, মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েই নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন বিএসএফ জওয়ান উত্তম সূত্রধর। তাঁর স্পষ্টতই দাবি, ‘মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে গুলি চালিয়েছি।’ বিএসএফের ১৪৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নে কর্মরত উত্তমের বাড়ি ত্রিপুরায়।

ঘটনাটি ঘটেছেিল মঙ্গলবার ভোরে। উত্তর দিনাজপুরের ভাতুন পঞ্চায়েত এলাকার বসতপুর গ্রামের মালদাখণ্ড বিএসএফ ক্যাম্পের জওয়ানরা তখন টহল দিচ্ছিলেন। হঠাতই ১৪৬ নং ব্যাটেলিয়নের উত্তম সূত্রধরের সঙ্গে ঝগড়া বাধে কমান্ড্যাট মহেন্দ্র সিং ভাট্টির। সেই সময়ই ছুটি নিয়ে বচসা বাধে দুজনের। বচসা থেকে মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে ওঠে। হঠাতই নিজের সার্ভিল রাইফেল থেকে গুলি চালান উত্তম। সেই গুলিতেই প্রাণ হারান কমাড্যান্ট মহেন্দ্র সিং ভাট্টি ও কনস্টেবল অনুজ কুমারের।

ঘটনার পরপরই আত্মসমর্পন করেন উত্তম। মঙ্গলবারই রায়গঞ্জ থানার পুলিশের হাতে উত্তমকে তুলে দেয় বিএসএফের ১৪৬ নম্বর ব্যাটালিয়নের কর্তারা। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২/২৫/২৭ ধারায় মামলা রুজু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। বুধবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে উত্তমকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

কিন্তু কেন এমন হঠকারি সিদ্ধান্ত নিলেন উত্তম? বুধবার আদালতে যাওয়ার পথে উত্তম সাফ দাবি করেন, ‘লাগাতার অত্যাচার করতেন বাহিনীর আধিকারিকরা। কখনও হাত থেকে খাবার ছিনিয়ে নেওয়া হত, আবার কখনও বাড়িতে ফোন করতে চেয়ে অনেক অনুরোধ করলেও দেওয়া হত না অনুমতি। বিএসএফ জওয়ানদের উপর চলে মানসিক অত্যাচার।’ যদিও উত্তমের অভিযোগের বিষয়ে পালটা কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি বিএসএফ।

আরও পড়ুন: ছুটি নিয়ে ঝগড়া, গুলি চালিয়ে ২ BSF জওয়ানকে মারল সহকর্মী!

সে আরও জানায়, মঙ্গলবার ভোরে মহেন্দ্র সিং ভাট্টি তাঁকে ছুটি নেওয়া নিয়ে অনেক আজেবাজে কথা শোনায়। সেইসঙ্গে ছিল মানসিক নির্যাতন। সব মিলিয়ে আর নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে বাধ্য হয়েই গুলি চালায় সে।

উল্লেখ্য, ভারতীয় বাহিনীতে এই ঘটনা নতুন নয়। গত বছর ছত্তিশগড়েও সহকর্মীর গুলিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীরই ৬ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। আহতও হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন। ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশের নারায়নপুর জেলা ক্যাম্পে সকাল ৯টায় অভিযুক্ত কনস্টেবল তাঁর সঙ্গে থাকা বন্দুক থেকে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। তাতেই মৃত্যু হয় ৬ জনের। ঘটনার পরপরই নিজে আত্মহত্যাও করেন অভিযুক্ত জওয়ান। তদন্তে ওই জওয়ানেরও ছুটি না পেয়ে অবসাদ তৈরি হয়েছিল বলে জানা যায়। এবার বাংলাতেও ঘটল একই ঘটনা।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

EXCLUSIVE: Kunal Kemmu says, “The longest I’ve indulged a telemarketing call is 24 minutes” : Bollywood News

Wed Aug 5 , 2020
Kunal Kemmu, who is currently basking in the success of Lootcase, has a few tricks up his sleeve. Starting off as a child artist in the industry, Kunal Kemmu has given some commendable performances in the past, Lootcase being his recent ones. The actor is highly appreciated for his comic […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts