coronavirus: সংক্রমণ ক্রমেই বাড়ছে দমদম-বাঙুরে – west bengal: dum dum and bangur witnesses single-day highest covid cases

হাইলাইটস

  • এলাকায় বিনামূল্যে টেস্টের আয়োজন করলেও অনেকেই সাড়া দিচ্ছেন না।
  • যখন আসছেন ততদিনে তাঁর দ্বারা ৩-৪ জন সংক্রমিত হয়ে গিয়েছেন।
  • পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুর প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য প্রবীর পাল বলছেন, ‘করোনার উপসর্গ থাকলে স্বাস্থ্য কর্মীদের তা জানান।

এই সময়: দক্ষিণ দমদম পুর এলাকার ৩৪টি ওয়ার্ডে বিক্ষিপ্তভাবে নিয়ম ভাঙছেন এমন অনেকেই। আর এই নাগরিকদের একাংশের জন্যই দক্ষিণ দমদম পুর এলাকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হাজার পার করে গিয়েছে, এমনটাই দাবি করছেন পুর কর্তারা। তাঁদের বক্তব্য, টানা দু’সপ্তাহ লকডাউন করেও নাগরিকদের একাংশের অসহযোগিতার কারণেই সংক্রমণের গ্রাফ নামানো সম্ভব হচ্ছে না।

নাগরিকদের একাংশ অবশ্য পাল্টা পুর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, পুরসভা সকলের প্রতি সমান কঠোর নয়। পুরসভা সূত্রে খরব, বর্তমানে আক্রান্ত ৩০০ জন। রোজই বিক্ষিপ্ত ভাবে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আক্রান্তের খবর মিলছে। তবে দমদম স্টেশন থেকে নাগেরবাজার মোড় পর্যন্ত দমদম রোড বরাবর রাস্তার দুপাশের এলাকায় সংক্রমণের হার তুলনায় কম। সেই তুলনায় নাগেরবাজার থেকে লেক টাউন মোড় পর্যন্ত যশোহর রোডের দুপাশে এলাকা বেশি চিন্তায় রেখেছে পুর কর্তৃপক্ষকে। শুধু বাঙুরেই আক্রান্ত হয়েছেন ১৫০ জন। পাশেই শ্রীভূমিতে ১৪০ জন, লেকটাউন এলাকায় ১৩০ জন এবং দক্ষিণদাঁড়িতে ইতিমধ্যেই ১০০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে বলে খবর। এ পর্যন্ত মারা গিয়েছেন চার জন। ওই এলাকার বাসিন্দা তথা স্থানীয় বিধায়ক সুজিত বসুও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

এই সমস্ত এলাকায় যারা আক্রান্ত হয়েছেন বা হচ্ছেন, তারা বেশিরভাগই বহুতল আবাসনের বাসিন্দা। পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের এক আধিকারিক জানাচ্ছেন, ‘ওই বহুতলের বেশিরভাগ বাসিন্দাই ব্যবসার সূত্রে নিয়মিত বাইরে যান। ফলে, তাঁদের সংক্রমণের আশঙ্কা প্রবল।’ ফ্ল্যাট আলাদা হলেও তাঁরা একই লিফট ব্যবহার করেন। অনেক ফ্ল্যাটে সন্ধ্যাবেলা ছাদে বা লনে আড্ডায় বসেন। সেখান থেকেই রোগ ছড়াচ্ছে বলে দাবি ওই কর্তার।

আরও পড়ুন: গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত ৩২০৮, বাংলায় সুস্থতার হার বেড়ে ৭১.৪৩%

পুরসভার বক্তব্য, নাগরিকদের স্বার্থে বেলা ১২’টার পর টানা দুসপ্তাহ লকডাউন করা হয়েছিল ঠিকই। উদেশ্য, বাজারে ভিড় কমানো। কিন্তু, এরপরেও সকালের সামাজিক দূরত্ব মানেননি অনেকেই।

পাশাপাশি, এলাকায় বিনামূল্যে টেস্টের আয়োজন করলেও অনেকেই সাড়া দিচ্ছেন না। যখন আসছেন ততদিনে তাঁর দ্বারা ৩-৪ জন সংক্রমিত হয়ে গিয়েছেন। পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুর প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য প্রবীর পাল বলছেন, ‘করোনার উপসর্গ থাকলে স্বাস্থ্য কর্মীদের তা জানান। তথ্য গোপন করলে শুধু নিজে নয়, প্রিয়জনরাও বিপদে পড়তে পারেন।’

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাগাতার টেস্টের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সপ্তাহে দুদিন করে সম্পূর্ণ লকডাউন করার কথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছে এক পুর কর্তা। তাঁর বক্তব্য, রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই সপ্তাহে দুদিন করে লকডাউন ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে আমরা আরও দুদিন কঠোর লকডাউন করার কথা ভাবছি। যেখানে নিয়ম ভাঙলেই কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এছাড়া, আর কোনও রাস্তা নেই।

আক্রান্ত কোথায় কত

বাঙুরে-১৫০ জন
শ্রীভূমি- ১৪০ জন
লেকটাউন-১৩০ জন
দক্ষিণদাঁড়িতে- ১০০ জন

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Pandemic casts its shadow on Janmashtami celebrations

Tue Aug 11 , 2020
Businesses associated with the festival in the Mathura-Vrindavan belt are struggling for survival As the COVID-19 pandemic casts its shadow on Janmashtami, businesses associated with the festival in the Mathura-Vrindavan belt are struggling for survival. The worst hit are the artisans who dress up the idols of Lord Krishna. Spread […]

Breaking News

Recent Posts