
বছরের শুরুতে জেল থেকে মুক্তি
এবছরের শুরুর দিকে প্রায় ১০ বছর জেলে কাটার পর মুক্তি পান ছত্রধর মাহাত। বাম আমলে মোট ২৮ টি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন ছত্রধর। এর মধ্যে ১২ টিতে বেকসুর খালাস পেয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ১৫ টি মামলায় জামিন পেয়েছেন তিনি।

জেল থেকে বেরনোর পরেই তৃণমূলে যোগ
জেল থেকে বেরনোর দিনই নিজের বাড়িতে পৌঁছনোর পথে সংবর্ধনা দেয় তৃণমূল। পরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। সরাসরি তাঁকে তৃণমূলের রাজ্য কমিটিতে জায়গা করে দেওয়া হয়। বিরোধী সিপিএম এবং বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, যে ছত্রধরের সঙ্গে মাওবাদী যোগ স্পষ্ট, তাঁকে দিয়ে ২০২১-এর নির্বাচনে বাজিমাত করতে চাইছে তৃণমূল।

জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে ছত্রধরের প্রতিক্রিয়া
গতমাসে ২৫ ও ২৬ অগাস্ট তাঁকে শালবনির কোবরা ট্রেনিং ক্যাম্পে ২ দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে এনআইএ। এর মধ্যে ছিল লালগড়ের ধরমপুরে ২০০৯-এর ১৪ জুন সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাত খুনের ঘটনা। সেই প্রসঙ্গে ছত্রধর বলেছিলেন, মূলস্রোতে ফিরেছেন তিনি। যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। সেই কারণে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তাঁর ওপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।

ফের তলব ছত্রধরকে
২৮ টি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন ছত্রধর। ১২ টিতে বেকসুর খালাস পেয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ১৫ টি মামলায় জামিন পেয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাগুলির সবই একদশকের বেশি পুরনো। তাঁর বিরুদ্ধে মামলার মধ্যে রয়েছে দিল্লি-ভুবনেশ্বর রাজধানী হাইজ্যাকের মামলাও। ২০০৯-এর শেষ দিকের ঘটনা এটি। সূত্রের খবর অনুযায়ী এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তাঁকে ডাকা হয়েছে। মাওবাদী ও শাখা সংগঠন পুলিশি সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল।