COVID hospital: বিহারের এই কোভিড হাসপাতালের একমাত্র ডাক্তারের সুরক্ষায় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে রক্ষী – armed guards for the last doctor standing at this bihar covid hospital

হাইলাইটস

  • গঙ্গার ধারে বিহারের ভাগলপুরের এই করোনা হাসপাতালে অন্য কোনও ডাক্তার কাজ করতে রাজি নন।
  • কারণ এখানে করোনা রোগীদের জন্য প্রায় কোনও আইসোলেশনের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এখানে চিকিত্‍সককে বাঁচাতে তাঁকে ঘিরে রাইফেল হাতে রক্ষীর দল। ডাক্তারবাবু যেখানেই যান, তাঁর সঙ্গে সঙ্গে ঘোরেন সশস্ত্র রক্ষীরা। কারণ রোগীর আত্মীয়স্বজনের হাত থেকে করোনা হাসপাতালের এই একমাত্র ডাক্তারকে বাঁচানো প্রয়োজন।

গঙ্গার ধারে বিহারের ভাগলপুরের এই করোনা হাসপাতালে অন্য কোনও ডাক্তার কাজ করতে রাজি নন। কারণ এখানে করোনা রোগীদের জন্য প্রায় কোনও আইসোলেশনের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। আইসিইউ-তে থাকা করোনা রোগীদের দেখতে যখন তখন সেখানে ঢুকে পড়েন রোগীদের আত্মীয়রা। সেখানে ঢুকে পড়ে কোনওরকম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তাঁরা করোনা রোগীকে ঘরে তৈরি খাবার খাওয়ান,পাশে বসে হাওয়া করেন।

ডাক্তাররা বারণ করলে উলটে তাদের ওপর চড়াও হয় রোগীর বাড়ির লোকজন। এই পরিস্থিতি কোনও মতেই পালটানোর নয়। সেই কারণেই এখানে কোনও ডাক্তার কাজ করতে আসতে চাননি। কিন্তু একজন চিকিত্‍সক হিসেবে নিজের দায়িত্ব এড়াতে পারেননি ডা. কুমার গৌরব। দিল্লি থেকে নয় বছর আগে নিজের দেশের বাড়ি ভাগলপুরে ফেরেন তিনি। তারপরই এখানকার হাসপাতালে করোনার চিকিত্‍সক হিসেবে দায়িত্ব পান। এই হাসপাতালের একমাত্র করোনার চিকিত্‍সক তিনিই। সেই কারণে তাঁকে রক্ষা করতে তাঁর চারপাশে সশস্ত্র রক্ষী থাকে।

৪২ বছরের এই সাইকিয়াট্রিস্ট মেডিক্যাল কনসালট্যান্ট এবং কনসালট্যান্ট সাইকিয়াট্রিস্ট হিসেবে ভাগলপুরের জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় ভেঙে পড়েছে এখানকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। ডা. গৌরব নিজেই জানিয়েছেন, ‘এখান কে নেগেটিভ, কে পজিটিভ আমরা কিছুই জানি না। রোগীদের করোনা পরীক্ষা করার মত সময়ও নেই আমাদের। আমরা শুধু রোগী আসে আর চিকিত্‍সা শুরু করে দিই।’

দেশে একদিনে সংক্রমিত ৬৪ হাজার+, মৃত আরও ১০০৭! আক্রান্ত বেড়ে ২৪.৬১ লাখ

ডা. গৌরবের নিজের ডায়াবিটিস এবং হাইপারটেনশন রয়েছে। এই দুটিই করোনায় আক্রান্ত হওয়ার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু সেই নিয়ে এখন চিন্তা করার মতো সময় নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। গত এপ্রিল মাসে বিহারে প্রথম করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এই হাসপাতালে করোনা ছাড়াও অন্য রোগীরাও আসেন এবং যথেষ্ট সংখ্যক আইসোলেশনের কোনও ব্য়বস্থা নেই এখানে।

কাছাকাছি অন্য হাসপাতাল না থাকায় বাধ্য হয়ে সব ধরনের রোগীই এখানে আসেন। রোগীর তুলনায় কর্মচারীর সংখ্যাও এই হাসপাতালে যথেষ্ট কম। তবু তাই দিয়েও আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত কয়েক মাসে ভাগলপুরে ক্রমাগত বাড়ছে করোনা আক্রান্তে সংখ্যা। এর আগে এই হাসপাতালে যিনি সুপার ছিলেন, তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। আরও অনেকেই এই হাসপাতালের সুপারের দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন। তাই বাধ্য হয়ে এই পদে আসতে হয় ডা. গৌরবকে।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

ভারতীয়রা নেপাল গেলে এবার থেকে মানতে হবে এই শর্ত, জানিয়ে দিল ওলির সরকার

Fri Aug 14 , 2020
নিজস্ব প্রতিবেদন : ভারতের বন্ধু দেশ নেপাল। এতদিন পর্যন্ত এমনটাই জানত সবাই। তবে এখন দুই দেশের সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলেছে। আর তাই নেপাল ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আর আগের মতো নেই। নেপাল ভ্রমণে এতদিন পর্যন্ত ভারতীয় নাগরিকদের কোনও নিষেধাজ্ঞা ছিল না। নেপালের অর্থনীতির মূল ভিত্তি পর্যটন। আর প্রতি বছর ভারত থেকে […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts