এদিকে, বাংলাদেশের সচিব মাসুদ বিন মোমেন জানিয়েছেন, তাঁদের পক্ষ থেকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে ভারতকে সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ভারতের তরফে এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হয়েছে।
এই বছরের শেষের দিকেই ভারতের বাজারে মিলতে পারে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় আবিষ্কৃত করোনার ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিনের ম্যানুফ্যাকচারিং পার্টনার ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন অ্যাসট্রাজেনেকার তৃতীয় পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়াল ভারতে ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট। দেশের ১৭টি জায়গা থেকে ১৮ বছরের বেশি বয়স এমন ১৬০০ জনকে বেছে নিয়ে তাঁদের ওপরে করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চালানো হচ্ছে। দেশে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় করে সেরাম ইনস্টিটিউটের করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে।
আরও পড়ুন: এই বছরের শেষেই ভারতে মিলবে অক্সফোর্ডের কোভিড ভ্যাকসিন
অক্সফোর্ড ছাড়াও ভারতে তৈরি আরও দু’টি কোভিড ভ্যাকসিন, আইসিএমআর-এর সঙ্গে ভারত বায়োটেকের যৌথ ভাবে তৈরি কোভ্যাক্সিন এবং জাইডাস ক্যাডিলার তৈরি জাইকভ-ডি উভয়েই ট্রায়ালের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে।
গত শনিবার স্বাধীনতা দিবসে, লালকেল্লা থেকে প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বলেন, ‘তিনটি ভ্যাকসিন পরীক্ষার তিনটি স্তরে রয়েছে। বিজ্ঞানীরা ছাড়পত্র দিলেই আমরা গণহারে ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত। সবচেয়ে কম সময় কী ভাবে প্রত্যেক ভারতীয়ের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়া যায়, তার রোডম্যাপ প্রস্তুত।’
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
