—দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে ৪৪১ জন করোনায় আক্রান্ত। ৭ মার্চের পর থেকে এটাই দিনে সর্বাধিক সংক্রমণ।
—রাজ্যে গত সোমবার থেকেই সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা এক ধাক্কায় কমে তিন হাজারের নীচে নেমে এসেছিল। মঙ্গলবারের পর বুধবারও তা বজায় রইল। অপরদিকে, ৩ হাজার ৩০০ জনের বেশি ব্যক্তি করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত ২৪ ঘণ্টায়। অর্থাৎ পরপর তিনদিন রাজ্যে একদিনে আক্রান্তের থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির সংখ্যা বেশি।
—গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯৭৪ জন। নয়া সংক্রমিত-সহ মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৫৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩ হাজার ৩১৪ জন, যা এখনও পর্যন্ত রেকর্ড। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৭৯.৭৫ শতাংশ। ফলে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৯৫৪ জন।
—রাজ্যে একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৫৫ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২ হাজার ৯৬৪ জন। সারা দেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও ক্রমশ বাড়ছে টেস্টের সংখ্যা। এদিন রাজ্যে মোট ৪০ হাজার ০৩১ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ১৬ লক্ষ ৭৪ হাজার ১৩৩ টি নমুনা পরীক্ষা করা হল।
—রাজ্যে পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ লকডাউন রয়েছে ২৭ এবং ৩১ অগস্ট। সেপ্টেম্বর মাসে রয়েছে ৭, ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বর।
—আশার খবরের মধ্যে প্রধান দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়াচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার পরিস্থিতি। যা নিয়ে সোমবার নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠক থেকেই নিজের দুশ্চিন্তার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতায় এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৮১৭ জন, মৃত্যু হয়েছে ১২২২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৫৪ জন ও মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। শুরুতে অনেক পিছিয়ে থাকলেও কলকাতাকে রীতিমতো টক্কর দিচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ১১৭। মৃত্যু হয়েছে ৬৮৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় নতুন করে আক্রান্ত ৫১২ জন ও মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।