হাইলাইটস
- এই ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বরটি সূর্যের থেকেও ১৪২ গুণ বড়।
- এই কৃষ্ণ গহ্বরটির বয়স ৬০০ কোটি বছর বলে জানা গিয়েছে।
- এই অতিকায় ব্ল্যাক হোলটি মহাকাশ ও কৃষ্ণ গহ্বর সম্পর্কে অ্যাস্ট্রোফিজিস্টদের এতদিনের ধারণা বদলে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভদোদরার অ্যাস্ট্রোফিজিস্ট ডা. করণ জানি বর্তমানে আমেরিকার বাসিন্দা। তিনি ও তাঁর টিম মহাকাশে একটি অতিকায় ব্ল্যাক হোলের সন্ধান দিয়েছে। এই ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বরটি সূর্যের থেকেও ১৪২ গুণ বড়। এই কৃষ্ণ গহ্বরটির বয়স ৬০০ কোটি বছর বলে জানা গিয়েছে। এই অতিকায় ব্ল্যাক হোলটি মহাকাশ ও কৃষ্ণ গহ্বর সম্পর্কে অ্যাস্ট্রোফিজিস্টদের এতদিনের ধারণা বদলে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতীয় সময় হিসেবে বুধবার সন্ধেয় এই আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেন ডা, করণ জানি ও তাঁর টিম। আমেরিকার ভ্যালডেরবিল্ট ইউনিভার্সিটির রিসার্চ প্রফেসর ডা. করণ জানি বলেন, ‘এই আবিষ্কার মহাকাশ সম্পর্কে আমাদের এতদিনের ধারণাই বদলে দেবে। আমরা যতটা জানি, মহাকাশ যে তার থেকেও অনেক বেশি জটিল, তার উপলব্ধি হবে আমাদের। আমরা এতদিন বিশ্বাস করতাম যে ব্ল্যাকহোল দুটি বা তার বেশি সংখ্যক নক্ষত্রের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে সৃষ্টি হয়। কিন্তু এই ব্ল্যাক হোলটি তারার মধ্য ধাক্কা বা বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট নয়।’
ডা. করণ জানি আরও বলেন, ‘এই আবিষ্কারের প্রভাব মহাকাশচর্চার ওপরে ব্যাপক ভাবে পড়বে। মহাকাশে আমরা এতদিন যা জানতাম, আসলে এক অন্য ভাবে ব্ল্যাক হোল সৃষ্টি হচ্ছে। নক্ষত্রের জীবনে যে মিসিং সাইকেল, তা হয়তো এবার আমরা বুঝতে পারব।’ গত বছর মার্চ মাসে LIGO এবং Virgo গ্র্যাভিটেশনাল তরঙ্গের মাধ্যমে গত বছর মে মাসে এই ব্ল্যাক হোলটি খুঁজে পান ডা. করণ জানি ও তাঁর টিম। এর সম্পর্কে ঘোষণা করার আগে আরও এক বছর ধরে গবেষণা চালান করণ। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা সব সময় মনে করতাম যে কৃষ্ণ গহ্বর হয় সূর্যের থেকে ১০০ গুণ ছোট হয়, আর তা নয়তো ১০০০ গুণ বড় হয়। কিন্তু এই ব্ল্যাক হোলটি সূর্যের থেকে ১৪২ গুণ বড়। আর এর বয়সও সূর্যের চেয়ে বেশি।’
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
