হাইলাইটস
- কাশ্মীরে ফের পাক গোলাবর্ষণ
- গোলাগুলি চলছে কুপওয়ারার নৌগাম সেক্টরে
- পাক গোলার আঘাতে শহিদ ভারতীয় জওয়ান
- জখম আরও ২ জওয়ান হাসপাতালে
- প্রত্যাঘাত ভারতীয় সেনার
ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, শুধু কুপওয়ারা নয়, শনিবার জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার শাহপুর, কিরনি ও দেগওয়ার সেক্টরেও সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গোলাগুলি ছুড়েছে পাকিস্তান। বিনা উস্কানিতে এ ভাবে একতরফা গোলাবর্ষণের জবাব গুলিতেই দিচ্ছে ভারতীয় সেনা। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছে। এখনও বিশদ কিছু জানা যায়নি।
গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এই পুঞ্চ জেলারই নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর গুলি চালিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেছিল পাকিস্তানি সেনা। মর্টার শেল ছাড়াও ছোট অস্ত্র থেকে গুলি ছোড়া হয়। সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে পুঞ্চের কিরনি ও কাসবা সেক্টরে গোলাগুলি ছুড়তে থাকে পাকিস্তান। রাতে ভারতীয় সেনাও প্রত্যাঘাত করে।
তার আগে বুধবার ভোররাতেও পাকসেনা সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে রাজৌরিতে গোলাবর্ষণ করে। পাক গোলায় ভারতীয় সেনার একজন জুনিয়র কমিশনড অফিসার (JCO) শহিদ হন। বিনা প্ররোচনায় গুলি চালায় পাকিস্তানি সেনা। নিহত সেনা অফিসার তারকুন্ডি সেক্টরে পোস্টিং ছিলেন। পাক গুলিতে জখম ওই সেনা অফিসারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সেনা সূত্রে খবর, ভারতের প্রত্যাঘাতে কয়েক জন পাকসেনাও নিহত হয়েছেন। তবে, বিশদ জানা যায়নি। জানা গিয়েছে, নিহত JCO-র বাড়ি পঞ্জাবের অমৃতসরে।
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বান্দিপোরা জেলায় (১ সেপ্টেম্বর) এলওসিতে পাক গোলাবর্ষণে বেশ কয়েকটি পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জনবসতিপূর্ণ এলাকাকে টার্গেট করা হয়েছিল। চারটি বাড়ির একাংশ গোলার আঘাতে ভেঙেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দু’টি স্কুলও। গুরেজ অঞ্চলও ছিল নিশানায়। কাশ্মীর পুলিশের এক অফিসার জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গুরেজ অঞ্চলে বিনা উস্কানিতে মর্টার ছোড়ে পাকিস্তান। যদিও কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ভারতীয় সেনা এই অযাচিত হামলার পালটা জবাব দেয়।
২০২০ সালের সূচনা থেকে অসংখ্য বার এলওসিতে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। রিপোর্ট বলছে, ২,৭২০ বার সংঘর্ষবিরতি অগ্রাহ্য করেছে পাকসেনা। অগস্ট পর্যন্ত ২৭ কাশ্মীরি নাগরিক পাকগোলায় নিহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন আরও কমপক্ষে ১০০ জন।
