এদিকে, দীর্ঘ এক বছর পরে কাজে গিয়েছিলেন তাঁর মা লোল্ডে বার্টন। তিনি বাড়ি ফিরে আসার পরে অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে লিনডেন। এই পরিস্থিতিতে ছেলেকে বাগে আনতে ৯১১ নম্বরে ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান ওই মহিলা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু তার পরে যা ঘটল তা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেননি ওই মহিলা। অটিস্টিক ওই কিশোরের উপরে একাধিক গুলি চালান কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। গুলি গিয়ে লাগে তার কাঁধে, দুই গোড়ালি-সহ আরও একাধিক জায়গায়। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কাঁদতে কাদতে আক্রান্ত কিশোরের মা সংবাদমাধ্যামকে বলেন, ‘আমি পুলিশকর্মীদের বার বার বলেছি যে, ওর কাছে কোনও অস্ত্র নেই। ও পাগল হয়ে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করছে। ওই এখনও শিশুই আছে। ও চায়, সবসময় ওর প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। কিছুতেই নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।’ এক নিঃশ্বাস তিনি আরও বলে গেলেন, ‘পুলিশ চাইলে সামান্য বল প্রয়োগ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারত। কিন্তু তা না করে দুই পুলিশকর্মী ঘরের দরজার সামনে এগিয়ে যান এবং এর ৫ মিনিটের মধ্যে গুলি চালাতে শুরু করেন।’ সমস্ত কিছু জানার পরেও তাঁর অটিস্টিক সন্তানের উপরে পুলিশ কেন গুলি চালাল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এদিকে, গোটা ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছে সল্টলেক সিটি পুলিশ। যদিও তাদের সাফাই ওই কিশোরের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র আছে এই আশঙ্কা থেকেই গুলি চালিয়েছিলেন পুলিশকর্মীরা। আক্রান্ত কিশোরের থেকে কি কোনও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে? এর উত্তর না বলেই জানিয়েছেন পুলিশের মুখপাত্র। গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
