West Bengal
oi-Sanjay Ghoshal
শোভনকে বিজেপির রাজ্য কমিটিতে স্থান দেওয়ার পরই নতুন জল্পনার বাতাবরণ তৈরি হল বাংলায়। বিজেপির কমিটিতে স্থান পেয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায় খুশি নন বলে সাফ জানিয়ে দিলেন। নতুন জটিলতা পাকিয়ে তিনি বলেন, কেউ তাঁর সঙ্গে এ ব্যাপারে কোনও আলোচনাই করেননি পার্টির কেউ। তাঁকে না জানিয়েই তাঁর নাম রাখা হয়েছে কমিটিতে।

মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়। রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের অনুমোদনের পর দলের কর্মসমিতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এদিন ঘোষণা করেন দলের নয়া রাজ্য কমিটির সদস্যদের নাম। এই কমিটিতে উল্লেখযোগ্য নাম ছিল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের।
শোভন চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান যখন পেন্ডুলামের মতো একবার তৃণমূল, একবার বিজেপির দিকে করছিল, তখন অরবিন্দ মেনন হাওয়া ঘুরিয়ে দেন। তিনি শোভনকে বিজেপির দিকে নিয়ে আসেন। এমনকী শোভন সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান, তিনি বিজেপিতে সক্রিয় না হলেও, বিজেপি তো ছাড়েননি, বিজেপিতেই আছেন তিনি।
তাঁর এই বার্তা ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত বলেই মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও। সেইমতো বিজেপির তরফে শোভনকে গুরুত্ব দিয়ে স্থান দেওয়া হয় কমিটিতে। কিন্তু তাঁর নাম ঘোষণার পর শোভন অস্বস্তি বাড়িয়ে দেন। তাঁকে কিছু জানানো হয়নি বলে ক্ষোভ উগরে দেন শোভন।
প্রশ্ন ওঠে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে কেন স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে স্থান দেওয়া হল? বিজেপির তরফে জানানো হয়, সব বিধায়ক ও সাংসদকে কর্ম সমিতিতে নেওয়া হয়েছে। শোভনবাবু বিধায়ক হিসেবে এই কর্মসমিতিতে এসেছেন। সেই কারণেই তাঁকে স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য করা হয়েছে। এর মধ্যে কোনও বিতর্ক থাকতে পারে না।
শোভন এদিন বলেন, আমাকে দলের তরফে কিছুই জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যম থেকেই আমি জানতে পেরেছি সব। শোভন আরও জানান, শিবপ্রকাশজি, অরবিন্দ মেননজি-সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে আমি খুব স্পষ্টভাবে আমার বক্তব্য জানিয়েছি। এর বাইরে আমি কিছু মন্তব্য করতে চাই না। শুধু বলতে চাই, সবকিছু সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে দল চালানো যায় না!

