নাইজেরিয়া এই রাজ্যে এর আগে ধর্ষণে সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সংখ্যালঘু ধর্ষণের ক্ষেত্রেই এই সাজাভোগ করতে হতো। প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের ধর্ষণ করলে, ২১ বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। গত জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে আফ্রিকার এই দেশটিতে ধর্ষণের ঘটনা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। পাঁচ মাসে ৮০০+ ধর্ষণের অভিযোগ জমা পড়েছে। তাই নাইজেরিয়ার কাদুনার রাজ্য সরকার ধর্ষণের আইন সংশোধন করল।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও মনে করেন ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে জনসমক্ষে ফাঁসি অথবা নপুংসক করে দেওয়ার মতো আইন থাকা প্রয়োজন৷ তবে, ধর্ষকদের জনসমক্ষে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মারার আইন করলে, পাকিস্তান জিএসপির আওতায় ইউরোপীয় ইউনয়ন (ইইউ)-এর ব্যবসায়িক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারে৷ তাই ইমরান ধর্ষককে নপুংসক করে দেওয়ার মতো আইন আনার চিন্তাভাবনা করছেন৷ তা হতে পারে অপরাধের ধরনের উপর ভিত্তি করে৷
আরও পড়ুন: নেপালের বিতর্কিত ম্যাপ স্কুল পাঠ্যবইয়ে, নয়া মুদ্রাতেও ভারতীয় ভূখণ্ড!
পাক প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘হত্যা মামলার বেলায় যেমন অপরাধের উদ্দেশ্য ও ধরন বিবেচনায় নিয়ে প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় ক্যাটেগরিতে ফেলা হয়, ধর্ষণের অভিযোগের বেলায় এমন হতে পারে৷ প্রথম ক্যাটেগরির অপরাধের শাস্তি হতে পারে রাসায়নিক প্রয়োগে নপুংসক করে দেওয়া। যাতে অপরাধী দ্বিতীয় বার এই ধরনের অপকর্ম করার সুযোগ না পায়৷’
আরও পড়ুন: বন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজ রফতানিতে সম্মতি, বাংলাদেশ পাবে ২৫ হাজার টন
পাকিস্তানে প্রায়ই ধর্ষণ-সহ নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে থাকে৷ গত ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের সাংসদের একাংশ জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ডকে ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে প্রস্তাব করলেও, শেষ পর্যন্ত সেটি আইন হিসেবে পাস হয়নি৷
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
