farm bills 2020: শরিক-বিরোধী বিক্ষোভই সার, ধ্বনিভোটে রাজ্যসভাতেও পাশ কৃষিবিল! – rajya sabha passes farm bills 2020 amid protest by opposition mps

হাইলাইটস

  • রবিবার রাজ্যসভায় কৃষিবিল পেশ হতেই বিরোধীরা একজোট হয়ে শুরু করেন বিরোধিতা।
  • এবার ওই বিল আইন হতে আর কোনও বাধা রইল না। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর হলেই আইন হয়ে যাবে এই বিল।
  • রবিবার বিলটি রাজ্যসভায় পেশ হওয়া মাত্রই তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধীরা।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভায় পাশ হয়ে গিয়েছিল আগেই। কিন্তু সংখ্যাতত্ত্বের নিরিখে রাজ্যসভায় বিল পাশ আটকে দিতে চেয়েছিল বিরোধীরা। সেই অনুযায়ী রবিবার রাজ্যসভায় কৃষিবিল পেশ হতেই বিরোধীরা একজোট হয়ে শুরু করেন বিরোধিতা। অথচ শত বিরোধিতা সত্ত্বেও রাজ্যসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গেল কৃষিবিল। ভোটাভুটি হল না কৃষিবিল নিয়ে। এবার ওই বিল আইন হতে আর কোনও বাধা রইল না। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর হলেই আইন হয়ে যাবে এই বিল।

যদিও রবিবার বিলটি রাজ্যসভায় পেশ হওয়া মাত্রই তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধীরা। এদিন বিল পেশ হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই রাজ্যসভায় কংগ্রেস সাংসদ প্রতাপ সিং বাজোয়া স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ‘চাষিদের জন্য মৃত্যু পরোয়ানায় সই করবে না কংগ্রেস।’ আর এরপরই বিক্ষোভের রাশ নিয়ে নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল সাংসদরা। ছিঁড়ে ফেলেন বিলের প্রতিলিপি। সংসদের রুল বুক। এই বিষয়টি অত্যন্ত লজ্জার বলে অভিহিত করেছে শাসক শিবির।

বিরোধী বিক্ষোভে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত বন্ধ ছিল রাজ্যসভার কাজ। এরপর দেড়টায় ফের অধিবেশন শুরু হতেই বিরোধীরা পুরনো অবস্থানই নিতে থাকেন। ভোটাভুটি করতে বিরোধীদের শান্ত হতে বলেন প্যানেল চেয়ারপার্সন। কিন্তু বিরোধীরা বিক্ষোভ দেখাতেই থাকেন। এরমধ্যেই ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে যায় বিল।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ধ্বনি ভোটে ফারমার্স প্রডিউস ট্রেড অ্যান্ড কমার্স (প্রমোশন অ্যান্ড ফ্যাসিলিয়েশন) বিল এবং ফারমার্স (এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড প্রোটেকশন) এগ্রিমেন্ট অন প্রাইস অ্যান্ড ফার্ম সার্ভিসেস বিল দু’টি সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় পাশ হয়ে গিয়েছিল। আর সেদিনই কেন্দ্রের তিনটি কৃষি বিলের প্রতিবাদে মোদী মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেন এনডিএ-র অন্যতম শরিক অকালি দলের নেত্রী হরসিমরত কৌর বাদল।

নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ট্যুইটারে হারসিমরত লিখেছিলেন, ‘সরকারের কৃষক বিরোধী অর্ডিন্যান্স এবং আইনের প্রতিবাদে আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছি। কৃষক এবং তাঁদের ভাইবোনদের পাশে থাকতে পেরে আমি গর্বিত।’ একই অভিযোগ ছিল বিরোধীদেরও। পরিস্থিতি বুঝে আসরে নামেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই বিলকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, এটি আইনে পরিণত হলে কৃষি ক্ষেত্রে ফোড়ে বা দালাল রাজের অবসান হবে। যার ফলে কৃষকদের আয় বাড়বে। শুধু তাই নয়, কিছু শক্তি সাধারণ মানুষককে এই বিল নিয়ে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: কৃষিবিল নিয়ে বিরোধী-বিক্ষোভে উত্তাল রাজ্যসভা, ছেঁড়া হল বিলের প্রতিলিপি-রুল বুক
যদিও বিরোধীদের দাবি, মোদী সরকারের যা নীতি, তাতে বাস্তবে কৃষি বলেই কিছু থাকবে না আর৷ তাদের প্রশ্ন, দেশের মোট কৃষকদের ৮৬ শতাংশই যেখানে ছোট কৃষক, সেখানে তাঁদের কেন বিশ্বায়নের স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে? চাল-ডাল-আটার উপর থেকে সরকারের নিয়ন্ত্রণ উঠলে মজুতদারি, কালোবাজারি বাড়বে। আর তাতে কৃষকদেরই ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। যদিও এত বিরোধিতা সত্ত্বেও লাভ হল, লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাশ হয়ে গেল কৃষিবিল।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

एक क्लिक में पढिय़े दिनभर की 20 बड़ी खबरें

Sun Sep 20 , 2020
दिनभर की बड़ी खबरें। NATIONAL: राजनीति के साथ देश की हर एक बात यह खबर भी पढ़े: कृषि मंत्री के बयान के बीच राज्यसभा में विपक्ष का हंगामा, सभापति के माइक को भी खींचा यह खबर भी पढ़े: किसान बिल को लेकर केंद्र पर राहुल का तंज, कहा – किसानों […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts