হাইলাইটস
- তেমনই এই গোয়ার বাসিন্দা পেশায় এক নামী ভূপর্যটক সুকোরো ফার্নানডেজ।
- গত নভেম্বর মাসেই ক্রুজ লাইনার থেকে বিরতি নিয়ে চার মাসের জন্য মিয়ামি বন্দরে কাজের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।
- কোনও ভাবেই আগামী ১ বছর অন্তত এভাবে কোনও কাজে বাইরে যেতে পারবেন না বলে ধরেই নিয়েছেন তিনি।
বয়স ৩৬। লকডাউনের জেরে দীর্ঘদিন ধরেই সমুদ্রে জাহাজের যাওয়া বন্ধ। ফলে কোথাও কোনও কাজই নেই তাঁর হাতে। লকডাউনের আগে পর্যন্ত একটি ক্রুজ লাইনারে স্টোর কিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। কিন্তু সে সব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্রামের অন্য নাবিকদের মতো তিনিও মাছ বিক্রি করে পেট চালানোর সিদ্ধান্ত নেন।
গত নভেম্বর মাসেই ক্রুজ লাইনার থেকে বিরতি নিয়ে চার মাসের জন্য মিয়ামি বন্দরে কাজের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। সেই মতো বন্দোবস্তও শুরু করে ফেলেছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের মহামারীর কারণে সবই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘গত ১০ ফেব্রুয়ারি আমি সেখান থেকে আমার জয়েনিং লেটার হাতে পাই। মার্চের ২২ তারিখ আমার জাহাজে উঠে রওনা দেওয়ার কথা ছিল। লকডাউনে আমার সব স্বপ্ন চুরমার হয়ে গিয়েছে।’
এরই পাশাপাশি দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিদিন যেভাবে বাড়ছে তা খেয়াল করে নিজের পেট চালানোর জন্য বিকল্প ভাবতে শুরু করেন তিনি। কোনও ভাবেই আগামী ১ বছর অন্তত এভাবে কোনও কাজে তিনি বাইরে যেতে পারবেন না বলে ধরেই নিয়েছেন তিনি। সে কারণে মোটরবাইকে মাছ ফেরি করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। রোজ সকালে বেটুল জেটিতে গিয়ে বাইকে করে সেখান থেকেই মাছ নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি। তাঁর কথায়, ‘আমাকে আমার পরিবারকে দেখতে হবে। আমার স্ত্রী সন্তানসম্ভবা। আমাকে রোজগার করতেই হবে।’
সুকোরো ফার্নানডেজ
ভোর ৪টেয় উঠে মোটরবাইক নিয়ে ফার্নান্ডেজ বেরিয়ে পড়েন। মানুষের পছন্দসই বিভিন্ন ধরনের মাছ নিয়ে বাইকে বেরিয়ে পড়েন তিনি। অম্বুলিমে মাছ বিক্রি করেন তিনি। যতদিন না পরিস্থিতি ঠিক হচ্ছে এভাবেই পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
