lightning deaths in up: উত্তরপ্রদেশে বজ্রপাতের বলি ২৪, সবথেকে বেশি মৃত্যু দেওরায় – 24 killed as lightning strikes uttar pradesh; most deaths in deoria and prayagraj

হাইলাইটস

  • উত্তরপ্রদেশেও বজ্রপাতে ব্যাপক প্রাণহানি
  • বজ্রপাতে মৃত্যু ২৪ জনের
  • সবথেকে বেশি মৃত্যু দেওরিয়ায়
  • প্রয়াগরাজেও ৬ জনের মৃত্যু
  • ৪ লক্ষ করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) বৃহস্পতিবার বজ্রপাতে (lightning strikes in UP) কমপক্ষে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই দিনে নীতীশ কুমারের বিহারে বজ্রপাতের বলি ৮৩ জন। মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। একই অঙ্কের আর্থিক ক্ষতিপূরণ বিহারে দিচ্ছেন নীতীশ কুমার।

সরকারি সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া ও প্রয়াগরাজেই সবথেকে বেশি মৃত্যু হয়েছে। দেওরিয়ায় বাজ পড়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্য দিকে, প্রয়াগরাজে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।

উত্তরপ্রদেশের ত্রাণ কমিশনার সঞ্জয় গোয়াল জানান, দেওরিয়া ও প্রয়াগরাজ ছাড়াও কুশিনগর, ফতেহপুর ও উন্নাও জেলায় একজন করে মারা গিয়েছেন। বারাবাঙ্কিতে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। আম্বেদকর নগরে মারা গিয়েছেন ৩ জন। বলরামপুরে মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের।

গত বছর জুলাইয়ে উত্তরপ্রদেশে বজ্রবিদ্যুতে কমপক্ষে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এই ৩৭ জনের মধ্যে ১৪ জনই ছিলেন কানপুর ও ফতেপুরের বাসিন্দা। এই দু’টি অঞ্চলে ৭ জন করে মারা যায়। ঝাঁসিতে মৃত্যু হয়েছিল পাঁচ জনের। হামিরপুরে তিন জন, জালাউনে চার জন, গাজিপুরে দু’জন এবং জানুপুর, প্রতাপগড়, কানপুর দেহাত এবং চিত্রকূটে প্রাণ হারিয়েছেন মোট চার জন।

বিহারে বজ্রপাত ও বজ্রবিদ্যুত্‍‌-সহ বৃষ্টিতে মৃত্যু বেড়ে ৮৩, ₹৪ লক্ষ করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা নীতীশের

ওই বছরেরই জুনে উত্তরপ্রদেশে প্রবল ধূলিঝড় এবং বজ্রপাতের কবলে পড়ে কমপক্ষে ১৯ জন প্রাণ হারান। আহত হন আরও অন্তত ৪৮ জন।

ভারতে প্রতিবছর বহু মানুষ বজ্রপাতে মারা যায়। তবে, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে ওডিশা কিন্তু বজ্রপাতে মৃত্যু কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বেসরকারি কোম্পানির সহযোগিতায় বজ্রপাতের আগাম সতর্কতা জারির ব্যবস্থা করেছে ওডিশা। যে কারণে তারা বজ্রপাতে মৃত্যু ৩১ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

পূর্বাভাস মিলিয়ে উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি-আশঙ্কা বন্যার! ভয়ংকর তিস্তায় হলুদ সতর্কতা

বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে আগাম সতর্কবার্তা পাওয়ার পরেই যে এলাকায় বাজ পড়তে পারে, সেখানকার বাসিন্দাদের মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে সাবধান করে দেওয়া হচ্ছে। সতর্কবার্তা পাওয়ার সময় থেকে সাধারণ মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছতে দুই থেকে তিন মিনিট সময় লাগছে। এ ছাড়া স্থানীয় ভাবে সাইরেন বাজিয়েও সাবধান করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাল-সুপুরি-খেজুর-নারকেল জাতীয় উঁচু গাছ বজ্রপাতে মৃত্যু কমায়। তাই এই গাছগুলি কাটবেন না। দেখা গিয়েছে, এ ধরনের উঁচু গাছ অনেক সময়েই বাজ আকৃষ্ট করে সাধারণ মানুষকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করে। গাছ হয়তো জ্বলে যায়, কিন্তু আশপাশে থাকা মানুষ বেঁচে যান। বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকাতে ভারতের পড়শি বাংলাদেশ শুধু ১০ লক্ষ তালগাছ লাগিয়েছে। থাইল্যান্ডও তালগাছ লাগিয়ে বজ্রপাতে মৃত্যু কমিয়ে এনেছে। বাংলাদেশের সরকারি এক আধিকারিক জানান, বজ্রপাত যেহেতু সাধারণত উঁচু কোনও কিছুতে আঘাত করে, সেজন্য উঁচু গাছ হিসেবে তালগাছকেই তারা বেছে নিয়েছেন বজ্রপাত ঠেকানোর জন্য। তাঁর কথায়, বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকানোর জন্য এটাই সবচেয়ে কার্যকর স্থানীয় প্রযুক্তি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

हिन्‍दुस्‍तान यूनिलिवर लिमिटेड फेयर एंड लवली से हटाएगी ‘फेयर’ शब्‍द

Thu Jun 25 , 2020
नई दिल्‍ली। बड़ी एफएमसीजी कंपनी में शुमार हिन्‍दुस्‍तान यूनिलिवर लिमिटेड (एचयूएल) ने अपने लोकप्रिय स्किन केयर ब्रांड फेयर एंड लवली से ‘फेयर’ शब्‍द हटाने का फैसला किया है। एचयूएल ने गुरुवार को ट्वीट करके ये जानकारी दी है।       एचयूएल की ओर से जारी एक बयान में कहा गया […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts