India-China Tensions: ভারত, চিন কেউই আর নতুন করে সেনা বাড়াবে না লাদাখে, সিদ্ধান্ত বৈঠকে – india, china agree to stop sending more troops to lac in ladakh

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পূর্ব লাদাখের বিতর্কিত সীমানায় দু-দেশের কেউই এর মধ্যে আর নতুন করে সেনা পাঠাবে না। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দু-দেশের সেনাবাহিনীর সিনিয়র কম্যান্ডারদের মধ্যে ১৪ ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন বৈঠকে দু-পক্ষই এ বিষয়ে সহমত হয়েছে। মঙ্গলবার নয়াদিল্লি ও বেজিঙের তরফে যৌথ বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, আপাতত লাদাখ সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্ররেখায় আর অতিরিক্ত বাহিনী পাঠাবে না ভারত এবং চিন। সেইসঙ্গে এ-ও জানানো হয়েছে, সীমান্তে ভুল বোঝাবুঝি কমাতে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগও বাড়াবে দু’পক্ষ। যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সমস্যা সমাধানে দু-দেশের প্রতিনিধিরাই নিজেদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। সমস্যার গভীরে গিয়ে আলোচনা হয়েছে। যদিও, বর্তমানে মোতায়েন থাকা দু-দেশের সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত সোমবারের বৈঠকে হয়নি।

সূত্রের খবর, বৈঠকে চিন দাবি করে, চূশূলে কৌশলগত ভাবে সুবিধাজনক পাহাড় চুড়োগুলো ভারতীয় বাহিনী সরিয়ে নিতে হবে। ভারতের তরফে পালটা দাবি করা হয়, প্যাংগং লেক বরাবর ফিঙ্গার ফোর থেকে ফিঙ্গার এইট পর্যন্ত এলাকা ফাঁকা করে দিতে হবে চিনা বাহিনীকে। কিন্তু, কেউই তাদের অবস্থান থেকে সরে আসতে রাজি হয়নি। তবে, গত তিন সপ্তাহে চূশূল সেক্টরে অন্তত তিন বার গুলি চলার পর যে উত্তেজনাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা আর বাড়তে দেওয়া হবে না বলে ভারত-চিন উভয়ই সম্মত হয়েছে।

একই সঙ্গে দু-দেশের তরফে জানানো হয়, ১০ সেপ্টেম্বর মস্কোয় এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের বৈঠকে যে পাঁচ দফা সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা রূপায়ণে দু-দেশই ইতিবাচক পদক্ষেপ করবে। বেজিঙে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন এদিন দাবি করেন, উত্তেজনা প্রশমনে দু’ পক্ষই মত বিনিময় করেছে।

অক্টোবরের শুরু থেকেই লাদাখে শীত পড়তে শুরু করে। শীতে লাদাখের তাপমাত্রা মাইনাস ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়। অক্সিজেনেরও অভাব দেখা দেয়। এই বিষয়টিও বৈঠকে উঠেছিল। তবে, বর্তমান প্রেক্ষিত বিবেচনা করে প্যাংগং লেকের উত্তর এবং দক্ষিণ প্রান্ত-সহ লাদাখের সংঘাতের জায়গাগুলিতে যথেষ্ট উত্তেজনা থাকায় বাহিনীকে শীতকালেও লাদাখে মোতায়েন রাখার প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে ভারতীয় সেনা।

আরও পড়ুন:লাদাখে যুদ্ধের আবহ জিইয়ে রেখে রাষ্ট্রপুঞ্জে শান্তির বার্তা জিনপিঙের !

দু-দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি আর যাতে না বাড়ে, তার জন্যই আর অতিরিক্ত সেনা পাঠানো হবে না সীমান্তে। একতরফা ভাবে স্থলভাগের পরিস্থিতি পরিবর্তন করা থেকে বিরত থাকবে দুই দেশ। পরিস্থিতি জটিল হতে পারে, এমন কোনও পদক্ষেপ তারা করবে না। ভারত ও চিনের কম্যান্ডাররা এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছেন।

আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীর: ফের পাক ড্রোন থেকে অস্ত্র, এ বার অখনূর সেক্টরে

পূর্বের অবস্থান থেকে সরে এসে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপুঞ্জের বৈঠকে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জানিয়েছেন, কোনও দেশের সঙ্গে শীতল বা উত্তপ্ত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার অভিপ্রায় চিনের নেই। জিনপিঙের মতে, প্রতিবেশী দেশের মধ্যে মতপার্থক্য হওয়া স্বাভাবিক। তবে তাদের আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। তিনি বলেন, চিন বিশ্বব্যাপী শান্তিপূর্ণ, উন্মুক্ত, সমবায় ও সাধারণ উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বৃহত্তম উন্নয়নশীল দেশ। আমরা কখনোই আধিপত্য, প্রসার বা প্রভাব বাড়ানোর পক্ষপাতী নই।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

No Guarantee Any Covid-19 Vaccine In Development Will Work, Says Who Chief Tedros Adhanom Ghebreyesus - कोरोना वायरस के टीके काम करेंगे या नहीं, इसकी कोई गारंटी नहीं: डब्ल्यूएचओ प्रमुख

Wed Sep 23 , 2020
वर्ल्ड डेस्क, अमर उजाला, वॉशिंगटन। Updated Wed, 23 Sep 2020 12:37 AM IST पढ़ें अमर उजाला ई-पेपर कहीं भी, कभी भी। *Yearly subscription for just ₹299 Limited Period Offer. HURRY UP! ख़बर सुनें ख़बर सुनें कोरोना वायरस महामारी से बचाव के लिए विकसित किए जा रहे […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts