একই সঙ্গে দু-দেশের তরফে জানানো হয়, ১০ সেপ্টেম্বর মস্কোয় এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের বৈঠকে যে পাঁচ দফা সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা রূপায়ণে দু-দেশই ইতিবাচক পদক্ষেপ করবে। বেজিঙে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন এদিন দাবি করেন, উত্তেজনা প্রশমনে দু’ পক্ষই মত বিনিময় করেছে।
অক্টোবরের শুরু থেকেই লাদাখে শীত পড়তে শুরু করে। শীতে লাদাখের তাপমাত্রা মাইনাস ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়। অক্সিজেনেরও অভাব দেখা দেয়। এই বিষয়টিও বৈঠকে উঠেছিল। তবে, বর্তমান প্রেক্ষিত বিবেচনা করে প্যাংগং লেকের উত্তর এবং দক্ষিণ প্রান্ত-সহ লাদাখের সংঘাতের জায়গাগুলিতে যথেষ্ট উত্তেজনা থাকায় বাহিনীকে শীতকালেও লাদাখে মোতায়েন রাখার প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে ভারতীয় সেনা।
আরও পড়ুন:লাদাখে যুদ্ধের আবহ জিইয়ে রেখে রাষ্ট্রপুঞ্জে শান্তির বার্তা জিনপিঙের !
দু-দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি আর যাতে না বাড়ে, তার জন্যই আর অতিরিক্ত সেনা পাঠানো হবে না সীমান্তে। একতরফা ভাবে স্থলভাগের পরিস্থিতি পরিবর্তন করা থেকে বিরত থাকবে দুই দেশ। পরিস্থিতি জটিল হতে পারে, এমন কোনও পদক্ষেপ তারা করবে না। ভারত ও চিনের কম্যান্ডাররা এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছেন।
আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীর: ফের পাক ড্রোন থেকে অস্ত্র, এ বার অখনূর সেক্টরে
পূর্বের অবস্থান থেকে সরে এসে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপুঞ্জের বৈঠকে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জানিয়েছেন, কোনও দেশের সঙ্গে শীতল বা উত্তপ্ত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার অভিপ্রায় চিনের নেই। জিনপিঙের মতে, প্রতিবেশী দেশের মধ্যে মতপার্থক্য হওয়া স্বাভাবিক। তবে তাদের আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। তিনি বলেন, চিন বিশ্বব্যাপী শান্তিপূর্ণ, উন্মুক্ত, সমবায় ও সাধারণ উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বৃহত্তম উন্নয়নশীল দেশ। আমরা কখনোই আধিপত্য, প্রসার বা প্রভাব বাড়ানোর পক্ষপাতী নই।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
