
৫০,০০০ টাকা অনুদান
করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই এবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করতে হচ্ছে বাংলাকে। নেতািজ ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কল্পতরু হয়ে গিয়েছিলেন। করোনা আবহে অত্যন্ত সংকটে মধ্যে রয়েছে ক্লাবগুলি। বিজ্ঞাপন বেশি পাচ্ছে না। পাওয়া যাচ্ছে না স্পনশরশিপও। এই ফান্ড সংকট কাটাতে পুজো কমিটিগুলিকে ৫০,০০০ টাকা করে অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

কর মকুব
ফান্ড সংকট দূর করতে পুজো কমিটিগুলিকে এবার পুরকর এবং দমকল কর ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে সিইএসসি এবং রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার কথা দেওয়া হয়েছে। উৎসবের আনন্দে যাতে কোনও খামতি না থাকে সেকারণেই এই ছাড় ঘোষণা।

সিভিক ভলেন্টিয়ার ও আশা কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধি
পুজো কমিটি গুলিকে দান ঘোষণার পাশাপাশি রাজ্যের উৎসবে কারোর আনন্দে যাতে কমতি না হয় সেকারণে আশা কর্মীদের ১০০০ টাকা বেতন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। এছাড়া সিভিক ভলেন্টিয়ার, গ্রিন পুলিসদেরও ১০০০ টাকা করে বেতন বাড়ানো হয়েছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের অবসরে এককালীন ৩ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মমতা। একই সঙ্গে করোনার কারণে চরম আর্থিক সংকটে থাকা হকারদের ২০০০ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজো কমিটি গুলিকে দান ঘোষণার পাশাপাশি রাজ্যের উৎসবে কারোর আনন্দে যাতে কমতি না হয় সেকারণে আশা কর্মীদের ১০০০ টাকা বেতন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। এছাড়া সিভিক ভলেন্টিয়ার, গ্রিন পুলিসদেরও ১০০০ টাকা করে বেতন বাড়ানো হয়েছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের অবসরে এককালীন ৩ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মমতা। একই সঙ্গে করোনার কারণে চরম আর্থিক সংকটে থাকা হকারদের ২০০০ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

হেল্পলাইন সক্রিয় রাখায় জোর
দুর্গাপুজোর মধ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে সেকারণে স্বাস্থ্য দফতরের হেল্পলাইন নম্বর যেন সক্রিয় থাকে সেই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের ভলেন্টিয়ার বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। হাসপাতালগুলিকেও এই সময় একটু বেশি তৎপর থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
