নির্যাতিতার আরও অভিযোগ, তাঁর ছোট বোনকেও একাধিকবার যৌন হেনস্থার চেষ্টা করেছেন বাবা নামক ওই মানুষটি। অভিযোগপত্রে ধর্ষিতা যুবতী লিখেছেন, মা সবই জানতেন। কিন্তু, তিনিও কখনও বাবার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস পাননি। কারণ, মা’ও গার্হস্থ্য হিংসার শিকার। উঠতে বসতে মাকে মারধর করেন। সেই নিগ্রহের ভয়ে বাবার সামনে মা শিউরে থাকতেন।
যুবতীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই রেলকর্মীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ-সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। নাবালিকা বয়স থেকে মেয়ের উপর যৌন নির্যাতন করায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইনেও পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে। শুক্রবার এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আনে রাজস্থান পুলিশ।
অভিযোগ গ্রহণের পরেই পুলিশ নির্যাতিতার মেডিক্যাল টেস্ট করায়। সেই রিপোর্ট পুলিশের হাতে এখনও আসেনি। ২৮ সেপ্টেম্বর, সোমবার একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ওই যুবতীর সাক্ষ্য নেবে পুলিশ। কোটার পুলিশ অভিযুক্ত ওই রেলকর্মীকে শুক্রবার থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশ জানিয়েছে, এক্ষুনি তারা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করছে না। মেডিক্যাল রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। রিপোর্ট দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত। অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে অভিযোগকারিণীর মা ও বোনকেও পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে।