কেন্দ্রের কৃষি বিল বিতর্কের মূলে এমএসপি। বর্তমানে ২২টি কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) দেয় সরকার। রাজ্য নিয়ন্ত্রিত এপিএমসি মান্ডিতে সরকার নির্ধারিত এই দামে কৃষিপণ্য বিক্রি করতে পারেন চাষিরা। এর ফলে চাষে ক্ষতি হলে বা অতি উৎপাদনে বাজারে দাম কমলেও সরকার নির্ধারিত নিশ্চিত মূল্য পান চাষিরা।
সরকারের বক্তব্য, নয়া আইনেও এমএসপি বাতিল হচ্ছে না। এমএসপি-র পাশাপাশি চাষিদের জন্য কর্পোরেট সংস্থার কাছে ফসল বিক্রির দরজাও খুলে দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে চাষিদের দরকষাকষি করে বেশি দাম পাওয়ার সুযোগ থাকবে। মধ্যস্থতাকারীদের দাপট কমবে, চাষিরা সরাসরি বিক্রির সুযোগ পাবেন।
আরও পড়ুন: পঞ্জাবে বড় ঝটকা BJP-র, কৃষি বিলের প্রতিবাদে গেরুয়া জোট ছাড়ল অকালি দল
যদিও দেশের অধিকাংশ কৃষক এবং কৃষক সংগঠনের আশঙ্কা অন্যত্র। তাঁদের বক্তব্য, সরকারের ভোট পাওয়ার দায়বদ্ধতা রয়েছে, কিন্তু বড় কর্পোরেট সংস্থার তা নেই। ফলে, উৎপাদনে ক্ষতি হলে বা বাজারে দাম কম থাকলেও সরকার যথাযথ ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দেয়। বাজারকে উন্মুক্ত করে দিলে দর কষাকষির উপরই দাম নির্ভর করবে। আর বড় কর্পোরেট সংস্থার সঙ্গে গ্রামের ছোট চাষিদের দর কষাকষির ক্ষমতা সামান্য। যাঁর কাছে কম দামে পাবে, কর্পোরেট সংস্থা তাঁর থেকে কিনবে। বাকিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
