চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল শোপিয়ানের মেলহোরা এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে আরও দুই জঙ্গির সঙ্গে নিহত হয় আনসার গজওয়াত উল হিন্দের প্রধান বুরহান কোকা। বুরহানের মৃত্যুর পর তার বড়দা ইশফাক মজিদ কোকাও আনসার গজিওয়াত-উল- হিন্দে নাম লেখায়। শুরু হয় জঙ্গি কার্যকলাপ।
২ অক্টোবর দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেলের কাছে একটি ফোন আসে। তাতেই জানা যায় চার কাশ্মীরি যুবক গত কয়েক দিন ধরে সেখানে রয়েছে। তার পরেই অভিযানের প্রস্তুতি শুরু হয়। নজরদারি চালিয়ে চার জনকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার করা হয়।
ধৃতদের জেরা করে জানা যায়, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে তারা নয়াদিল্লি রেল স্টেশন লাগোয়া ঘিঞ্জি পাহাড়গঞ্জ এলাকায় ছিল। স্পেশ্যাল সেলের ডিসিপি পিএস কুশওয়া জানান, শনিবার বিশেষ অভিযান চালিয়ে দিল্লির রিং রোড এলাকা থেকে এই চার জনকে তাঁরা গ্রেফতার করেছেন।
আরও পড়ুন: ছত্তীসগঢ়ের বস্তরে অন্তর্দ্বন্দ্বে নিহত বরিষ্ঠ মাওবাদী কম্যান্ডার
পুলিশ কর্তা জানান, সোর্সের খবরের ভিত্তিতে আইটিও-র কাছে ফাঁদ পাতা হয়েছিল। রিং রোডে ওই চার জনকে একটি গাড়িতে দেখতে পেয়ে পুলিশ পিছু নেয়। পুলিশের ধাওয়ায় পালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারের একটি গাছে ধাক্কা মারে গাড়িটি। এর পর জঙ্গিরা আর পালাতে পারেনি।
আরও পড়ুন: ‘ধর্ষক’ এবার হেড কনস্টেবল, গুরগাঁওয়ে FIR নির্যাতিতার
প্রাথমিক জেরায় ইশফাক স্বীকার করে সে আনসার গজওয়াত উল হিন্দের হয়ে কাজ করছে। আকিব শফি কোকাকে নিজের তুতো ভাই বলে সে পরিচয় দেয়। জম্মুতে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে বিই করছে আকিব। আলতাফ আহমেদ ডর ইশফাকের গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করে। চতুর্থ জনের নাম মুস্তাক আহমেদ গনি। শ্রীনগরের লোকাল ট্যাক্সিচালক। ধৃতরা জেরায় জানায়, নাশকতার জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ কিনতে তাদের হ্যান্ডেলার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়েছিল।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
