কলকাতা ও বারাসত-সহ রাজ্যের একগুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কলেজে এখনও স্নাতকে তিন বছরের (পার্ট থ্রি) পরীক্ষা হয়। অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন হয় না। এই অবস্থায় সেখানে কী হবে? একাধিক উপাচার্য জানান, বিএ, বিএসসি এবং বি-কমে পার্ট থ্রি পরীক্ষার্থীদের টেস্টের নম্বর রয়েছে। তা থেকে ২০% নেওয়া যায় কি না, সে ব্যাপারে তাঁরা কর্মসমিতিতে আলোচনা করবেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আগেই কলা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মূল্যায়ন কী করে হবে, তা ঠিক করেছিল। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে ৭০% আগের সেমেস্টার এবং ৩০% শতাংশ হোম অ্যাসাইনমেন্ট ও প্রজেক্টের মাধ্যমে করার সিদ্ধান্ত হয়। কলা বিভাগের ক্ষেত্রে ৬০% এবং ৪০%-এ ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে সহ উপাচার্য প্রদীপকুমার ঘোষ বলেন, ‘অ্যাডভাইজরি আজই প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।’
তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ চালুর বিষয়ে রাজ্য সিদ্ধান্ত নেবে। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একই দিনে শিক্ষাবর্ষ চালু হবে। করোনার জন্য পড়ুয়া এবং গবেষকরা যে ক্লাস করতে পারেননি, সেই সময়টুকু তাঁরা ক্লাস করেছেন বলেই ধরা হবে। হোম অ্যাসাইনমেন্টের নামে বাড়তি ফি নেওয়া যাবে না। দেশের অন্যান্য মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় যে পদ্ধতিতে চলছে, সেই পদ্ধতিই নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অনুসরণ করবে। পরীক্ষা ও শিক্ষাবর্ষ নিয়ে উপাচার্যদের সঙ্গে ১৩ জুন বৈঠকের পর শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, যে আলোচনা হয়েছে তা অনুমোদনের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। উপাচার্যদের সঙ্গে সেই বৈঠকে অবশ্য ৫০-৫০ ফর্মুলার কথা উঠে এসেছিল।
