Ladakh standoff: লক্ষ্য লাদাখ? আপৎকালীন প্রস্তুতিতে ভারত, যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে পাশে ‘বন্ধু’রা! – india’s allies us, france, israel helping in with weapons, ammunition amid ladakh standoff with china

হাইলাইটস

  • আমেরিকা, ফ্রান্স, ইজরায়েল থেকে রাশিয়া- কমপক্ষে ১০০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পেতে চলেছে ভারত।
  • আপৎকালীন ভিত্তিতে রাশিয়া এবং ইজরায়েলের কাছ থেকে বিপুল অস্ত্রশস্ত্র কিনেছে ভারত।
  • সব রকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে চাইছে নয়াদিল্লি।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ১৫ জুনের রাতে পূর্ব লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় রক্তপাতের পর সব রকম খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ইতোমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে প্রায় ৫০ হাজার অতিরিক্ত সেনা।, টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাংক, বসানো হয়েছে জমি থেকে আকাশমুখী ক্ষেপণাস্ত্র, এয়ার সার্ভেল্যান্স সিস্টেম। সামরিক শক্তি আরও মজবুত করতে এবার জোর প্রস্তুতি চালাচ্ছে নয়াদিল্লি। এবার কঠিন সময়ে ‘বন্ধুদের’ও পাশে পেতে চলেছে ভারত। আমেরিকা, ফ্রান্স, ইজরায়েল থেকে রাশিয়া- কমপক্ষে ১০০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পেতে চলেছে ভারত।

আগামী মাসে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে আসছে বিশ্বের প্রথম সারির যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত রাফাল। বিমানঘাঁটি কিংবা সমুদ্রের বুকে ভাসতে থাকা বিমানবাহী জাহাজের রানওয়ে থেকে উড়ে গিয়ে শত্রঘাঁটিতে হামলা চালাতে সক্ষম এই রাফাল। ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে পরবর্তী রাফাল বিমানগুলি ভারতে পাঠানোর কথা ফ্রান্সের। যদিও ঠিক কত সংখ্যক রাফাল যুদ্ধবিমান ভারত হাতে পাবে, তা স্পষ্ট জানা যায়নি। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে হওয়া ₹৫৯ হাজার কোটির চুক্তি অনুযায়ী প্রথম লপ্তে যে ৩৬টি রাফাল বিমান ভারতের পাওয়ার কথা, তার সব ক’টি এ দেশে পৌঁছবে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে।

এছাড়াও আপৎকালীন ভিত্তিতে রাশিয়া এবং ইজরায়েলের কাছ থেকে বিপুল অস্ত্রশস্ত্র কিনেছে ভারত। দফায় দফায় সেই সব অস্ত্র ভারতে আনা হচ্ছে। এরমধ্যে রয়েছে, বিপুল সংখ্যক অ্যান্টি-ট্যাংক মিসাইল, রকেট লঞ্চার, বোমা, গ্রেনেড লঞ্চার এবং চালকবিহীন উড়ন্তযান। রাশিয়ার কাছ থেকে কয়েক হাজার অ্যান্টি-ট্যাংক মিসাইল, অনেকগুলি টি-৯০ ব্যাটল ট্যাংকের ইঞ্জিন, ট্যাংকের অন্যান্য অংশ, বিপুল সংখ্যক মাল্টিব্যারেল রকেট লঞ্চার কিনেছে ভারত।

ইজরায়েলের থেকে কেনা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের অত্যাধুনিক আনম্যানড এরিয়াল ভিহাইকল বা চালকবিহীন উড়ন্ত যান এবং ভারতীয় নৌসেনার জন্য বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র।

আরও পড়ুন: ভারত-চিন যুদ্ধ হলে কোন দিকে বাংলাদেশ? জানুন…

ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে ক্রমাগত গোপন তথ্য আদানপ্রদান করছে আমেরিকা। বিভিন্ন বিষয়েই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার থেকে গোপন তথ্যের পাশাপাশি স্যাটেলাইট চিত্রের মাধ্যমে ইনপুট পাচ্ছেন ভারতীয় সেনা গোয়েন্দারা।

ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, লাদাখ পরিস্থিতির জেরে সামরিক তৎপরতা যেভাবে দ্রুত বাড়ছে, তা খুব স্বাভাবিক চিত্র মোটেই নয়। তাই সব রকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে চাইছে নয়াদিল্লি। সেই কারণেই জরুরি ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র কেনা হয়েছে।

যুদ্ধ কি হবে? ভারত-চিন পরিস্থিতি নিয়ে আপনাদের কী মত? নীচের কমেন্ট বক্সে আমাদের জানান আপনাদের মন্তব্য।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

নিজের সঞ্চয় থেকে ছেলের চিকিত্সার জন্য বউমাকে টাকা দিয়েছিলেন! তা লাগছে এখন বাবা-ছেলের সত্কারে

Mon Jun 29 , 2020
হরিদেবপুরে ধারাপাড়ার বাসিন্দা গোপাল মণ্ডলের আত্মহত্যার পিছনে উঠে এল লকডাউনে হতদরিদ্র পরিবারের আরও একটা দিক। Source link

You May Like

Breaking News

Recent Posts