India fights coronavirus: কোভিড রোগীদের পাশে দাঁড়াতে ছবি বিক্রি করে অর্থদান এই খুদে চিত্রশিল্পীর – six-year-old donates rs 54,000 he earned with his paintings to covid fight in mumbai

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ছোট থেকেই পেন্টিংয়ের প্রতি ঝোঁক ছিল তাঁর। কিন্তু সেই ভালোলাগা কখন যে মানুষের সাহায্যের জন্য আরও বড় হয়ে উঠবে, তা কখনও ভাবেনি ৬ বছরের একরত্তি ছেলে কবীর মোদে। নিজের অ্যাবস্ট্র্যাক্ট পেন্টিং বিক্রি করে ৫৪ হাজার টাকা কোভিড রোগীদের চিকিত্‍সার জন্য সেই অর্থদান করে দিল মুম্বইয়ের এই খুদে।

মালাবার হিলের ব্যবসায়ীর একমাত্র ছেলে এই কবীর। যেকোনও আর্ট ক্লাস সে মিস করে না। সাদা পাতায় আই-স্কেচিং থেকে শুরু করে তাতে রঙের খেলার ঝড় তুলে ফেলে নিমেষেই। কবীরের মা উর্বষী জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে তাঁর কাছেই হাতেখড়ি কবীরের। তারপর নিজের জগতের ভাব মিশিয়ে গড়ে তোলে একটা গোটা চিত্রপট। শুধু ছবি আঁকাতেই পারদর্শী নয়, কবীরের তীক্ষ্ণ বুদ্ধিরও প্রমাণ মিলেছে বেশ কয়েকবার। স্মৃতিশক্তিও বেশ প্রখর তাঁর।

শেষ তিন মাস, সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সাড়া ফেলে দেয় কবীরের আঁকা ছবি। টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাত্‍কারে কবীরের মা জানিয়েছেন, পরিযায়ীদের জন্য আমি ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হয়ে থেপলা বানাতে শুরু করি। পরিযায়ীদের সমস্যা মিটে গেলে সেই কাজ বন্ধ রাখা হয়নি। গরিব মানুষদের জন্য শুরু হয় রান্না করার কাজ। আমরা সিদ্ধান্ত নিই, গরিবদের মধ্যে খাবার বিলিয়ে দেওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য। এর পাশাপাশি আমি কবীরকে পেন্টিং করতে বলি। বলতে গেলে মায়ের দেখানো পথেই কবীরের পথচলা শুরু। প্রথমদিকে কবীরের কয়েকটি ছবি বন্ধু ও ঘনিষ্ঠদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে দেয়। তারপর তাঁদের মধ্যেই কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ছবি পোস্ট করে দেন। কোভিড রোগীদের পাশে দাঁড়াতে কবীরের ছবিই হাতিয়ার হয়ে ওঠে তাঁদের। কোভিড রোগীদের পাশে দাঁড়াতে সেই সুন্দর সুন্দর আঁকা ছবি বিক্রি করা হয়। কবীরের গর্বিত মা জানিয়েছেন, প্রথমে আমার একটি ছবি ছয় হাজার টাকায় বিক্রি করেছিলাম। পরে আমরা চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, আমেরিকা ও লন্ডনের ব্যবসায়ীদের কাছে কল করি। আমরা চাইছিলাম যে কবীরের ছবি কিনুক তাঁরাই , যাঁরা এই খুদের আঁকা ছবি তাঁদের বাড়িতে, অফিসে সাজিয়ে রাখবেন। সেই পথ ধরেই এগিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আর সেই পথেই আসতে শুরু করে অর্থও।

গোটা পদ্ধতিতে সবচেয়ে বেশি যাঁরা এগিয়ে এসেছিল , তাঁদের নাম বলতেই হয়। গরিবর মানুষদের সেবার কাজে জড়িত শ্রীমাদ রাজচন্দ্র লাভ অ্যান্ড কেয়ার এসআরএলসি স্বেছাসেবী সংস্থা। এই এনজিও-ই কবীরকে এমন সেবামূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে সাহায্য করেছিল। তবে সবশেষে কবীর জানিয়েছে, দেশে এই কঠিন পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিক হয়ে যাবে, ফের স্কুলে যেতে শুরু করবে, তখনও ঠিক এই ভাবেই নিজের কাজ করে যাবেন। শহরের গরিব মানুষদের জন্য এইভাবেই অর্থ দান করে যেতে যায় সে।

খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন এখানে…

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Poor people to have 5 kg rice or white under Pradhan Mantri Garib Kalyan Yogana: Narendra Modi

Tue Jun 30 , 2020
নিজস্ব প্রতিবেদন: আগামিকাল থেকে শুরু হচ্ছে আনলক-২। তার আগে আজ দেশবাসীকে করোনা মোকাবিলায় ফের সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে আগামী তিন মাস দেশের গরিব মানুষদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন নরেন্দ্র মোদী। আজ জাতির উদ্দেশে তাঁর ভাষণে মোদী বলেন- ** প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হল নভেম্বর পর্যন্ত। […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts